ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস পালিত
নিউজ-বাংলা ডেস্ক   
বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১২

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আজ (১৫ আগস্ট ২০১২) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৭ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করে ।


   

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গন এবং বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে এ উপলক্ষে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর  বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।  আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব আকরামুল কাদের, জনাব ইকবাল বাহার চৌধুরী, ডিফেন্স এ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার মোঃ আবদুল মঈন, , জনাব শামীম চৌধুরী, জনাব মাহমুদুন্নবী বাকী, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান, জনাব জিয়াউদ্দিন খান এবং  জনাব সাদেক খান।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব আকরামুল কাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের  স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু চিরদিন বাংলাদেশের মানুষের নিকট চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। রাষ্ট্রদূত কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ চমৎকার, অদ্বিতীয় এবং পরিষ্কার দিক নির্দেশনার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জনসমাবেশে পাকিস্তানী শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সর্বাত্মক প্রস‘তি নেয়ার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মরণীয় ভাষণ লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়নে বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে অভিজ্ঞ কূটনৈতিক আকরামুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুচিন্তিত কূটনৈতিক বিচক্ষণতার কারণেই সদ্য স¦াধীন বাংলাদেশের স¦ীকৃতি আদায়ে সফলতা অর্জন ও বন্ধু্ত্বপূর্ণ সর্ম্পক গড়ে তুলেছিলেন।

রাষ্ট্রদূত কাদের বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিনè উন্নয়নমূলক কর্মসূচী গ্রহন করেছেন। রাষ্ট্রদূত কাদের আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উক্ত লক্ষ্যে পৌঁছা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, ক্ষুধামুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং এ ব্যাপারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহযোগিতা কামনা করেন। উক্ত আলোচনা সভায় কম্যুনিটির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দুতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ যাঁরা ১৫ ই আগস্ট শাহাদাৎ বরণ করেছেন তাঁদের বিদদেহী আত্মারমাগফেরাত কামনা করে ও বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। সভায় আগত অতিথিদের ইফতার পরিবেশন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ )