জানাজায় হাজারো প্রবাসীর শ্রদ্ধা
সফি দেলোয়ার কাজল   
শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১২


নিউইয়র্কে কড়া রোদ্দুর সকালটি হঠাৎ করেই বৃষ্টিতে ভিজে গেল।। দুপুর থেকেই মেঘে ঢাকা পড়ে আকাশ। প্রকৃতির এই কান্নার মধ্যেই হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু শোকে নিউইয়র্ক সহ উত্তর আমেরিকার মানুষ।
হাজারো প্রবাসী বাংগালীর লক্ষ্য ছিল জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে। তিন তালা এই মসজিদে তিল ধরনের ঠাই নেই। সবাই এসেছে প্রিয় লেখককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।পবিত্র রমজানের প্রথম দিন জুম্মার নামাজের
পর জন নন্দিত লেখক হুমায়ুন আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হল।  প্রায় পাচ হাজার প্রবাসী নারী পুরুষের অংশ গ্রহনে প্রিয় লেখককে শেষ বিদায় জানানো হল। জানাজায় অন্যান্যদের মধ্যে আমেরিকার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. আকরামুল কাদের, জাতি সংঘ মিশনে  নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি এম এ মোমেন, কনসাল জেনারেল সাব্বির আহমেদ, হুমায়ূন আহমেদের ছোটভাই মুহাম্মদ জাফর ইকবাল অংশ গ্রহন করে।  এর আগে একটি মুসলিম ফিউনারেল হোমে হুমায়ুন আহমেদের গোসল সম্পন্ন হয়।   বেলা ১১টার দিকে প্রয়াত লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাঁদের দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে ফিউনারেল হোমে আসেন। সঙ্গে ছিলেন শাওনের মা সাংসদ তহুরা আলীসহ কয়েকজন। জানাজা শেষে সাদা কাফনে আবৃত প্রিয় লেখকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান হাজারো প্রবাসী। আগামীকাল শনিবার তুরস্ক এয়ারলাইন্স যোগে তার মর দেহ বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে হুমায়ুনের  মরদেহ রোববার দেশে পৌঁছাতে পারে। গাজীপুরে হুমায়ুনেরন আহমেদের স্বপ্নপুরী নুহাশ পল্লীতে তাকে দাফন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ )