| আন্দোলনের ঢেউ এবার সৌদিতে |
| নিউজ-বাংলা ডেস্ক | |
| বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ | |
|
গণআন্দোলনের ঢেউ এবার আঘাত হানতে যাচ্ছে সৌদি আরবে। নির্বাচিত সরকার, নারীর স্বাধীনতা ও রাজবন্দিদের মুক্তি দাবিতে ১১ মার্চ দেশটিতে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেনে মারা গেছে এক বিক্ষোভকারী। এছাড়া অব্যাহত চাপের মুখে সৌদি আরব সফরে গেছেন বাহরাইনের বাদশা। জর্ডানে বিরোধী দলগুলো আগামীকাল শুক্রবার সংস্কারের দাবিতে ক্রোধ দিবসের ডাক দিয়েছে। মিসরের পুনর্গঠিত মন্ত্রিপরিষদ গতকাল বৈঠক করেছে। কায়রোর তাহরির স্কয়ারে ফের জড়ো হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারবিরোধীরা। খবর এএফপি, রয়টার্স, এপি অনলাইনের। সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেসবুকের মাধ্যমে ৪৬০ জনের বেশি মানুষ আগামী ১১ মার্চ সৌদি আরবে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ডাক দেয়। তবে তাদের কতজন সৌদিতে এবং কতজন বাইরে তা জানা জায়নি। তিউনিসিয়া ও মিসরে গণবিক্ষোভে সরকার পতনের পর সৌদির সংস্কারপন্থিরা উৎসাহিত হয়। তারা এর আগে রাজধানী রিয়াদে বিক্ষোভের ডাক দিয়ে ব্যর্থ হয়। তাদের ডাকে কেউ রাস্তায় নামেনি। সংস্ককারপন্থিদের দাবি, শাসক ও শূরা পরিষদের সদস্যদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। স্বাধীন বিচার বিভাগ, সব রাজবন্দির মুক্তি, বাক ও সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা দিতে হবে। এছাড়া সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ১০ হাজার রিয়াল, দুর্নীতি বন্ধ ও অযৌক্তিক কর প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। নারীদের ওপর থেকে অযাচিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, সশস্ত্র বাহিনী পুনর্গঠন ও রক্ষণশীল সুনি্ন পরিষদের পুনর্গঠন দাবি করেন তারা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিও জানিয়েছেন তারা। প্রসঙ্গত, সৌদিতে ২০০৯ সালের বেকারত্বের হার ছিল ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশটি ১৮ মিলিয়ন বেকারকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছে। এ দেশে নির্বাচিত সরকার বা পার্লামেন্ট নেই। জনগণের মতামতও শাসকেরা সহ্য করেন না। এদিকে জর্ডানের বিরোধী দলগুলো সংস্কারের দাবিতে আগামীকাল ক্রোধ দিবস পালন করছে। ১৯টি দলের ১০ হাজারের বেশি কর্মী এতে অংশ নেবেন। বামপন্থি দলের নেতারা বলছেন, তারা বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী আম্মানের আল-হুসেইনি মসজিদের বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইয়েমেনের সানা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মঙ্গলবার রাতে একটি লাশ পাওয়া গেছে। সেখানে সরকারবিরোধীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করতে বাইরাইনের বাদশা হামাদ বিন ইসা আল খলিফা সৌদি গেছেন। গতকাল তিনি এ বিষয়ে বাদশা আবদুল্লাহর সঙ্গে আলাপ করেন। এদিকে মিসরে পুনর্গঠিত মন্ত্রিপরিষদ গতকাল প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির প্রধান বিরোধী দল মুসলিম ব্রাদারহুড এ মন্ত্রিসভা প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটি বলছে, এ মন্ত্রিপরিষদে সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের ঘনিষ্ঠ কয়েক সহযোগী রয়েছে। তারা আগামীকাল ফের তাহরির স্কয়ারে জড়ো হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সব রাজবন্দির মুক্তি, জরুরি আইন প্রত্যাহার ও মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠনের দাবি জানান। |
|
| সর্বশেষ আপডেট ( বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০১১ ) |