আজ ফাগুন কাল ভ্যালেন্টাইন
সফি দেলোয়ার কাজল   
রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১


কোকিল ডাকছে বনে। কুহুতানে মুখর গ্রাম থেকে নগর। প্রকৃতি হয়ে ওঠেছে মুখর। আজ পয়লা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের সূচনা।  কাল ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন ডে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিবস দুটি যেন প্রেম নিবেদনের ভরা মৌসুম! জীর্ণ পাতার মর্মর শব্দ ছাপিয়ে গাছে গাছে নতুন পাতার উঁকিঝুঁকি। ডালে ডালে ফুটছে নানা রঙের, বিভিন্ন জাতের অসংখ্য ফুল। শেষ হয়ে আসছে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস। আসছে দখিনা হাওয়া। প্রকৃতি সাজিয়েছে কিশোরীর সাজে। কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, পলাশ, শিমূলসহ আরো কতশত ফুল তার খোঁপায়। মুকুল বেরিয়েছে আমের ডালে। সমুদ্র উতলা  হচ্ছে। বাড়ছে ঢেউয়ের গর্জন। পাহারে বাড়ছে সবুজের সমারোহ। ফাগুন ঘিরে গ্রামীণ মেঠোপথ থেকে শুরু করে ইট পাথরের নগরে তাই উৎসবের আমেজ। বাংলাদেশের মানুষের জীবনে বসন্ত বয়ে আনবে ভিন্ন রকম অনুভূতি। হৃদয় সতেজ করে দেয়া ঋতুরাজ বসন্ত।  তাই আমাদের কবি সুফিয়া কামালের প্রশ্ন ‘হে কবি নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়’।


এদিকে, কাল বিশ্বভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে যেন বাড়তি আমেজ। ভালোবাসার প্রিয় মানুষকে আপন করে নিতে বরাবরের মতো এবারো দিনটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববাসী। বিশ্বজুড়ে হৃদ্যতা সৃষ্টির দিন আগামীকাল। প্রথা ভেঙ্গে খ্রিস্টপূর্ব ২৭০ অব্দে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বিয়ে করেন তার প্রেয়সীকে। তিনি নিশ্চিত জানতেন, এতে তাকে মৃত্যুর ‘হেমলক’ পান করতে হবে। তবু তিনি ভালোবেসে বিয়ে করেন। তার পর কেটে গেছে হাজার বছর। সেই থেকে বিশ্বের দেশে দেশে দিনটি এখন পালিত হচ্ছে ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে’ হিসেবে।
সর্বশেষ আপডেট ( বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০১১ )