| যুক্তরাষ্ট্র বিচার মন্ত্রনালয়ে আইমন্ত্রী শফিক আহমেদ |
| নিউজ ওয়ার্ল্ড, ওয়াশিংটন থেকে | |
| মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০১০ | |
|
কোকোর ৩ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ মামলা নতুন মোড় নিতে পারে -আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রনালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত করেছেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ও কোর্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিনিময় করেছেন বলে জানা গেছে। তবে আইনমন্ত্রীর সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস নীরব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদেরের সাথে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওয়াশিংটনের বাইরে থাকায় কোন কিছু জানাতে নিজের অপারগতা প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্র আইন মন্ত্রনালয়ের একটি সূত্র জানায় বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন আইনমন্ত্রনালয়ের সাথে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৩ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ কেলেংকারীর বিষয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বঙ্গন্ধুর খুনীদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি হবে আলোচনার অন্যতম ইস্যু। উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দুই আসামী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে বলে দীর্ঘদিন থেকে কানাঘুষা রয়েছে। তবে তাদের পরিচিতি বা অবস্থান নিয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী নয়। মাস খানেক আগে বাংলাদেশের শীর্ষ গোয়েন্দারা যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।সূত্রমতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্দী বিনিময় চুক্তি নেই। এটা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্টদের কাছে দীর্ঘদিন থেকে দেন দরবার করলেও এখন পর্যন্ত কোন কিছুই হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমনি ওয়াশিংটন সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপর এর কোন অগ্রগতি হয়নি। এরিক এইচ হোল্ডার জুনিয়রের সাথে সাক্ষাত করবেন। সেখানেই দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা নিউজ ওয়ার্ল্ডের সাথে আলাপকালে বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সব তত্ব উপাত্ব ও প্রমানাদি বাংলাদেশের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া হবে। সূত্রমতে যুক্তরাষ্ট্র আইন মন্ত্রনালয় কর্তৃক আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ঘুষ মামলাটি যে কোন সময় নতুন মোড় নিতে পারে। অবশ্য বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের টার্ম কার্ড হিসেবে ব্যাবহার করে কিনা তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করা হবে বলে সূত্র জানায়। |