ভার্জিনিয়াতে প্রিয়বাংলার বর্নাঢ্য পথ মেলা
নিউজ-বাংলা ডেস্ক   
বৃহস্পতিবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৭

 

গ্রেটার ওয়াশিংটন প্রবাসী হাজারো মানুষের বাঁধ ভাঙা আনন্দ-উচ্ছাসের মধ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল এক ঝাঁক তারুন্যের সংগঠন-প্রিয় বাংলা ইঙ্কের পথ মেলা-২০১৭।



নিউইয়র্কের আশরাফুল বুলবুলের প্রানবন্ত উপস্থাপনায় পথমেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।  বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে যুক্তরাষ্ট্রের  মুলধারা তুলে ধরার প্রয়াসে এটা প্রিয়বাংলার  ৫ম পথমেলা। ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনের রাজপথে  প্রিয় বাংলার এই পথমেলা  বাংলাদেশী-আমেরিকাদের মাঝে এনে দেয় এক  ভিন্ন আমেজ ।


এত প্রাণের  স্পন্দন আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্রে আগত  শ্রোতা দর্শকরা ছিল উৎসব মূখর। প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংষ্কৃতির সাথে  ভিন দেশের  সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয় এই পথ মেলায়।  ফলে এই মেলা প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাশাপাশি মূলধারার মানুষের মাঝেও  আগ্রহ তৈরী  করতে পেরেছে।বাংলাদেশী -আমেরিকানদের  অনবদ্য পরিবেশনার  পাশাপাশি  বেশ কয়েকটি দেশের  মানুষ নিজস্ব সংস্কৃতি  আর পোশাক পরে অংশ নেয়  এই পথমেলায়।

এবারের মেলার বিশেষ আকর্ষন ছিল দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংগঠনের অংশ গ্রহনে বর্ণিল শোভা যাত্রা।


এবারের শোভা যাত্রায় বাংলাদেশ থেকে রঙিন সজ্জিত দুটি রিক্সা। সব বয়সের মানুষের কাছে যা হয়ে উঠে  আরো বর্ণিল । নৃত্য আর গানের ছন্দে এবং তালে অনেকেই মেতে উঠে শোভা যাত্রার আনন্দে!


 বাংলা নাচ আর গানে র পাশাপাশি চীন, বলিভিয়া, স্পেন, মেক্সিকো, আফ্রিকা, আমেরিকান শিল্পীরা বিচিত্র রকমের গান, নাচ, আবৃত্তি, যন্ত্র সংগীত, ফ্যাশন শো পরিবেশন করেন।
ছিল মাহফুজুর রহমান আর তৌফিক হাসানের পরিবেশনায় চাচা-ভাতিজার বয়ান।  এসব একের পর এক পরিবেশনা দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে সারাবেলা।

 মেলাপ্রাঙ্গণের দু'পাশে  স্টলগুলোতে কোথাও শাড়ি, পাঞ্জাবি, কোথাও দেশি সালোয়ার কামিজ, বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাচ্চাদের জন্য খেলনা, শো-পিস সবকিছুরই পসরা বসে যায়।
সঙ্গে ছিলো বিরিয়ানি, চটপটি ফুচকাসহ বিভিন্ন ধরনের দেশি খাবারের  দোকান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে চলছিলো বক্তৃতা, সংবর্ধনা, সম্মাননার আয়োজন। আমেরিকান সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

বিশেষ আকর্ষন ছিল পুলি বালার লোক সংগীত. সবশেষে ছিল কণ্ঠশিল্পী  বেবি নাজনীনের গান। তবে প্রতিবারের মত এবারও সময়ের অভাবে দুই-একটি গান গেয়েই ইতি টানতে হয় দেশ প্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনা। এ ছাড়া রাজনীতি প্রিয় বেবী নাজনীন গানের চেয়ে কথার ফুলঝুরিতে অনেকটা সময় নষ্ট করে মানুষের বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়।

সব শেষে প্রিয় বাংলার প্রধান কর্ণধার প্রিয়লাল কর্মকার  অনুষ্ঠানটিকে সুন্দর এবং স্বার্থক করে তুলতে সংলিষ্ট সকলকে   ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।   

সর্বশেষ আপডেট ( বৃহস্পতিবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৭ )