মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো সোনার মোহর!
নিউজ-বাংলা ডেস্ক   
বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
সত্যিকার অর্থেই মাটি খুঁড়ে গুপ্তধনের সন্ধান পেলেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক দম্পতি। চেনা যে পথে বহুবার যাওয়া আসা করেছেন, সেখানেই পুরোনো আমলের ক্যানের মধ্যে তারা পেয়ে গেলেন বিরল সোনার মোহর।
ইতিমধ্যে প্রাচীন আমলের মুদ্রাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. ডন কাগান পরীক্ষা করে বলেছেন, মাটিতে পুঁতে রাখা এ মুদ্রা আসলেই গুপ্তধন। যে কয়টি পেয়েছেন তার মূল্যই কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন ডলার হবে। তা ছাড়া এই ক্যান হয়তো বিপুল পরিমাণ ধন-সম্পদের একটি নমুনামাত্র। গুপ্তধন নিয়ে জানতে ওই দম্পতি ভাড়া করে ফেলেছেন নিলাম প্রতিষ্ঠান কাগান ইনকরপোরেটের প্রধানকে। ব্যাপক উত্তেজিত ওই দম্পতি। বিশেষজ্ঞের উত্তেজনাও কম নয়। তিনি এবিসি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ১৯৮১ সালের পর থেকে আশপাশের দু-একজন মানুষ কদাচিৎ একটি বা দুটি পুরোনো কয়েন এনেছেন। তবে এগুলোর মূল্য খুব বেশি নয়। কিন্তু একমুঠে ক্যানে বন্দি অবস্থায় এতগুলো কয়েন পাওয়া এই প্রথম। এগুলো সত্যিকার অর্থেই গুপ্তধন। ওই দম্পতি এই গুপ্তধন উদ্ধারের অভিযান করেন তাদের বাড়ির পেছনেই। 'বাড়ির পেছনের ওই পথ দিয়ে চলাচল করা হয়। হঠাৎ একদিন দেখি, মাটি ফুঁড়ে একটি ক্যান বেরিয়ে রয়েছে। ওটা তুললাম, আর খুঁজে পেলাম গুপ্তধন', উত্তেজনা নিয়ে এই সাদামাটা লোমহর্ষক অভিযানের বর্ণনা দিলেন দম্পতি। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার পল্লি অঞ্চলের পুরোনো বাড়ির পাশে এমন আরো পাঁচ-পাঁচটি ক্যান পেয়েছেন ওই দম্পতি। তারা এখন রীতিমতো গুপ্তধনের কোনো খনির মালিক হয়তো। ভাগ্যবান দম্পতি তাদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানালেন ড. কাগান। 'সব মিলিয়ে ১৪২৭টি কয়েন পেয়েছেন তারা। এগুলো ১৮৭৪ থেকে ১৮৯৪ সালের স্বর্ণমুদ্রা হবে। খুব ভালোভাবে সংরক্ষিত করা ছিলো ওগুলো', এবিসিকে জানান কাগান। অনলাইন বিক্রয়মাধ্যম আমাজনের মাধ্যমে কিছু কয়েন বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। সূত্র : ইয়াহু
সর্বশেষ আপডেট ( সোমবার, ০৭ জুলাই ২০১৪ )