News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

১৮ জুন ২০১৩, মঙ্গলবার      
মূলপাতা arrow খবর arrow দেশ arrow হুমায়ূন আহমেদের কবরের পাশে
হুমায়ূন আহমেদের কবরের পাশে প্রিন্ট কর
শরীফ আহ্‌মেদ শামীম, গাজীপুর   
বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট ২০১২

  

বাংলা সাহিত্যের রাজপুত্র হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেছেন গুলতেকিন খান। গত ২৪ জুলাই দাফনের পর এই প্রথম নুহাশপল্লীতে আসেন তিনি।

 গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ, দুই ভাই অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও আহসান হাবিব, তিন বোন সুফিয়া হায়দার, মমতাজ শহীদ ও রোকসানা আহমেদের সঙ্গে নুহাশপল্লীতে আসেন গুলতেকিন খান।  গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা সোজা চলে যান নুহাশপল্লীর হোয়াইট হাউস বাংলোয়। সকাল ১১টার দিকে তাঁরা হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করেন। তাঁদের সঙ্গে ড. জাফর ইকবালের স্ত্রী ইয়াসমিন হক, বোন রোকসানার স্বামী আব্দুর রাজ্জাক ও দুই ভাগ্নি তিথি, নিশাও ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লেখকের বড় ছেলে নুহাশের পরীক্ষা এবং মেয়ে শিলা আহমেদের বাচ্চা অসুস্থ থাকায় তারা আসতে পারেনি।  কবর জিয়ারত শেষে হুমায়ূন আহমেদের মাসহ অন্যরা আবার হোয়াইট হাউসে ফিরে বিশ্রাম নেন। এ সময় আয়েশা ফয়েজ ও গুলতেকিন খান খুবই বিষণ্ন ছিলেন। আয়েশা ফয়েজ ছেলের নানা স্মৃতিচারণা করে অশ্রুপাত করেন। অন্য আত্মীয়রা আয়েশা ফয়েজ ও গুলতেকিন খানকে সান্ত্বনা দেন। নুহাশপল্লীর বাংলোয় বিশ্রাম শেষে দুপুর পৌনে ২টার দিকে আবারও হুমায়ূন আহমেদের কবরস্থলে আসেন তাঁরা। বাঁশের বেড়ার ছোট অংশটা খুলে কবরের শিয়রের পাশে গিয়ে বসেন মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর ডান পাশে পর্যায়ক্রমে বসেন গুলতেকিন খান ও ইয়াসমিন হক। বাঁ পাশে বসেন হুমায়ূনের অতি আদরের তিন বোন ও দুই ভাগ্নি। আয়েশা ফয়েজ ও গুলতেকিন খান শিয়রের মাটিতে ডান হাত রেখে নীরবে তাকিয়ে থাকেন। এ সময় গুলতেকিনের চোখ ভিজে ওঠে। অঝোর ধারায় কাঁদতে থাকেন হুমায়ূন আহমেদের মা ও তিন বোন। পরে তাঁরা দোয়া পড়ে হুমায়ূনের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন। লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা ও কবর জিয়ারত করতে আসা অসংখ্য ভক্ত তাঁদের সঙ্গে মোনাজাতে শামিল হন। মোনাজাত শেষে গুলতেকিন খান ও ইয়াসমিন হক শিয়রের মাটিতে পরম যত্নে পুঁতে দেন একটি জবা ফুল। এ সময় সেখানে এক শোকাতুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কবর ত্যাগ করে চলে আসার সময় গুলতেকিন কয়েকবার পেছন ফিরে কবর দেখতে দেখতে মাইক্রোবাসে গিয়ে ওঠেন। দুপুর সোয়া ২টার দিকে তাঁরা ঢাকার উদ্দেশে নুহাশপল্লী ত্যাগ করেন। নুহাশপল্লীর সবচেয়ে পুরনো কর্মচারী কাজী নূরুল হক বলেন, 'গুলতেকিন ম্যাডাম সব কর্মচারীর খোঁজখবর নেওয়া ছাড়াও যাওয়ার আগে সবাইকে বকশিশ দিয়ে গেছেন।'
 

সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >
Free Joomla Templates