|
ঘাম ঝরিয়ে এক চিমটি লবণ ও ডাবের পানি! |
|
|
নিউজ-বাংলা ডেস্ক
|
|
মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১২ |
|
 প্রাকৃতিক স্পোর্টস ড্রিংক বা পানীয় হিসেবে প্রকৃতির অসামান্য উপহার ডাবের পানি। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ স্পোর্টস ড্রিংকগুলোর তুলনায় ডাবের পানি শরীরের জন্য অনেক বেশি কার্যকর।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক চন্দশ্রী ভট্টাচার্য তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, যাঁরা শরীরচর্চা করেন এবং প্রচুর ঘাম ঝরান, তাঁরা এক চিমটি লবণ মিশিয়ে ডাবের পানি খেলে স্পোর্টস ড্রিংকের তুলনায় অনেক বেশি উপকার পান। আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির (এসিএস) ২৪৪তম জাতীয় সম্মেলনে চন্দশ্রী ডাবের পানি বিষয়ে তাঁর গবেষণার তথ্য জানিয়েছেন। চন্দশ্রী জানান, প্রচলিত গ্যাটোরেড, পাওয়ারেড বা অন্যান্য স্পোর্টস ড্রিংকের তুলনায় ডাবের পানিতে পাঁচ গুণ বেশি পটাশিয়াম থাকে। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি সাউথ-ইস্টের গবেষক চন্দশ্রী বলেন, শরীরচর্চায় যখন মাংসপেশিতে খিঁচুনি হয়, তখন পটাশিয়াম সে খিঁচুনি দূর করতে পারে। শরীরচর্চা ছাড়াও সাধারণ কর্মজীবীদের স্বাস্থ্যের জন্য ডাবের পানি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত খাবারে পটাশিয়ামের চেয়ে সোডিয়াম লবণ খেতেই মানুষ বেশি অভ্যস্ত। অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে লবণের ভারসাম্যহীনতার কারণে তা অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। যাঁরা পটাশিয়ামের চেয়ে বেশি মাত্রার সোডিয়াম লবণ খান, তাঁদের হূদরোগের ঝুঁকি বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি কলায় যে পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে, ১২ আউন্স ডাবের পানিতে তার চেয়ে বেশি পটাশিয়াম থাকে। চন্দশ্রী ও তাঁর সহকারীদের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি লিটার ডাবের পানিতে এক হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। সেই তুলনায় পাওয়ারেড ও গ্যাটোরেডে থাকে মাত্র ৩০০ মিলিগ্রাম। এ ছাড়া ডাবের পানিতে সোডিয়াম থাকে মাত্র ৪০০ মিলিগ্রাম। স্পোর্টস ড্রিংকগুলোর তুলনায় ডাবের পানিতে ম্যাগনেশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও থাকে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত ডাবের পানিকে তাই আদর্শ পানীয় বলা চলে। চন্দশ্রীর পরামর্শ হচ্ছে, শরীরচর্চার পর ঘাম হলে শরীরে পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের যে ঘাটতি দেখা যায়, তা ডাবের পানি পান করলে পূরণ হতে পারে। (টাইমস অব ইন্ডিয়া) |