|
নিউজ-বাংলা ডেস্ক
|
|
বুধবার, ০৮ আগস্ট ২০১২ |
|
 নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট টোঙ্গারিরো আগ্নেয়গিরিটি শতবর্ষেরও বেশি সময় পর জেগে উঠেছে। এর সঙ্গে ছোট ছোট পাথর ও ছাই নির্গত হয়। ছাই মেঘের কারণে দেশটির মহাসড়কে যান ও বিমান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আর কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে এ কথা জানানো হয়। মাউন্ট টোঙ্গারিরো নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডে অবস্থিত তিনটি আগ্নেয়গিরির অন্যতম। দেশটির একটি জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত আগ্নেয়গিরিটি ১ হাজার ৯৭৮ মিটার উঁচু। যুগ যুগ ধরে ঘুমিয়ে থাকা আগ্নেয়গিরিটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান। স্থানীয় সময় গত সোমবার গভীররাতে সগর্জনে জেগে ওঠে এটি। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ট্রাকচালক ব্রায়ান রোড্ডা ওই সময়কার অনুভূতির কথা জানিয়ে নিউজিল্যান্ড ন্যাশনাল রেডিওকে বলেন, ‘আগ্নেয়গিরির কমলা রঙের ছটা দেখতে সুন্দর মেঘের মতো মনে হলো। এটি খুব সুন্দর এক দৃশ্য।’ ১১৫ বছর পর আগ্নেয়গিরিটির জেগে ওঠা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা বুঝতে পারছেন না এই আগ্নেয়গিরির ঘটনা ১টি, না এর মধ্যে আরো অগ্ন্যুতপাত ঘটার আভাস রয়েছে। আকস্মিক এমন ঘটনায় বিস্মিত বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ভূকম্পনের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ভূমিকম্প থেকে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুতপাতের ঘটনা ঘটবে, এটা অপ্রত্যাশিত। আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞ মাইকেল রোজেনবার্গ টিভিতে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আগ্নেয়গিরিটি কিছু সময়ের জন্য নিশ্চুপ থাকতে পারে। আবার যে কোনো মুহূর্তে এটি জেগে উঠতে পারে। তাই আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’ আবহাওয়াবিদদের বরাত দিয়ে নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যম বলছে, অগ্ন্যুতপাতের ছাই দেশের পূর্বাঞ্চল থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে বয়ে যাচ্ছে। বিমান নিউজিল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অগ্ন্যুতপাতের প্রভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ আকাশপথে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। অগ্ন্যুতপাতের ছাইয়ে ঢেকে যাওয়া মহাসড়কগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর খুলে দেয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আগ্নেয়গিরি এলাকার আশপাশের কিছু লোক বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়ে চলে গেছে। তবে দেশটির কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশ দেননি। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রেখে ভেতরে অবস্থান করতে বলেছেন। |
|
সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ )
|