মূলপাতা arrow খবর arrow প্রবাস arrow নিউ ইয়র্কে আমেনা’র নতুন জীবন
নিউ ইয়র্কে আমেনা’র নতুন জীবন প্রিন্ট কর
নিউজ-বাংলা ডেস্ক   
শুক্রবার, ০৩ আগস্ট ২০১২

 বাংলাদেশের ২৪ বসন্তের যুবতী আমিনা। ই-মেইলের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় নিউ ইয়র্কের জর্জ নামের এক যুবকের। আস্তে আস্তে তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিয়ে হয়। আমিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিউ ইয়র্কের রচেস্টারে।

 সেখানে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশে তার ইতিহাসকে সমুন্নত রেখে শুরু করেন এক নতুন জীবন। সেখানে কেমন আছেন আমিনা! ভিনদেশী স্বামীর সঙ্গে তার বনিবনা কেমন! দাম্পত্য জীবন কতটা সুখের! এসব প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরা হয়েছে ‘দ্য নিউলিওয়েডস’ উপন্যাসে। এর লেখিকা মার্কিন নাগরিক  । এ উপন্যাসে তিনি বিদেশে গিয়ে একজন বাংলাদেশী নারী কি রকম সমস্যার মুখে পড়তে পারেন তা তুলে ধরেছেন। গতকাল এ উপন্যাসের একটি রিভিউ ছাপা হয়েছে লন্ডনের অনলাইন টেলিগ্রাফে। এতে বলা হয়েছে, ছেলেবেলার বন্ধু নাসিরের সঙ্গে আমিনার দ্বিতীয় ভালবাসার বিষয়ে তার স্বামী জর্জ সন্দেহাতীতভাবে অস্পষ্ট। যদিও এ উপন্যাসে কোন উপদেশমূলক তত্ত্ব দেয়া হয়নি, তবু এটা চিরাচরিত এক নীতি বহন করে। কারণ, ফ্রেউডেনবার্গার এতে বৈপরীত্য ও সমতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এতে তিনি নীরবে সামাজিক পরিস্থিতিকে অবলোকন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন আমিনার স্বামীর চরিত্রের মধ্যে তেমন কোন পরিবর্তন নেই। বিভিন্ন মন্তব্য থেকে এতে জর্জ সম্পর্কে বিভিন্ন রকম তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে- কর্মক্ষেত্রে নিজের দলের ম্যানেজার হলেন জর্জ। তিনি একটু আগে আগেই অফিসে পৌঁছতে পছন্দ করেন। ওই উপন্যাসে বিদেশী স্বামীর সঙ্গে বিয়ের পর একজন নারী প্রথম যে ভীতিতে থাকেন সে সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়েছে। যেমন আমিনা ও জর্জ যেদিন প্রথম শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল সেদিন আমিনা যে তৃপ্তি পেয়েছিলেন তা সুখের ছিল না। কিন্তু এর আগে এ নিয়ে তার মধ্যে যে ভীতি কাজ করেছিল তা কাটিয়ে উঠার তৃপ্তি ছিল তার মধ্যে। ফ্রেউডেনবার্গার বলেছেন, তার এই ফিকশনে যে নায়ক-নায়িকা রয়েছেন তাদের সঙ্গে বাস্তব জীবনের মিল আছে। বিশেষ করে যেসব পরিবারে মার্কিন ভাবধারা আছে অথবা যারা মার্কিনিদের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ‘দ্য নিউলিওয়েডস’ ফ্রেউডেনবার্গারের তৃতীয় উপন্যাস। আগে তিনি লিখেছেন ‘লাকি গার্লস’। তা প্রকাশিত হয়েছে ২০০৩ সালে। সেখানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থানরত মার্কিন নারীদের জীবন সম্পর্কে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। যেমন একজন যুবতী ভারতীয় তার প্রেমিকের সঙ্গে সদম্ভে ভালবাসার প্রকাশ ঘটান। এক মা তার এইড ওয়ার্কারের মেয়েকে দেখতে চলে যান থাইল্যান্ডে। অথবা মুম্বইয়ে এক কলেজছাত্রী কিভাবে তার শিক্ষকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়া তিনি লিখেছেন দ্য ডেসিডেন্ট নামের একটি উপন্যাস।

সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >
Free Joomla Templates