| নিউইয়র্কে হুমায়ূনের স্মরণসভা |
|
| নিউজ-বাংলা ডেস্ক | |
| শুক্রবার, ০৩ আগস্ট ২০১২ | |
|
হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে তাঁর লেখা গান, কবিতা আর স্মৃতিচারণে নিউইয়র্ক প্রবাসী অনুরাগী-লেখকরা এক অনন্য সন্ধ্যা কাটালো রোববার। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের কানায় কানায় পরিপূর্ণ জ্যুইশ সেন্টার মিলনায়তন হয়ে ওঠে বিমূর্ত এক সন্ধ্যার প্রতিমূর্তি। কাবেরী দাসের রবীন্দ্র্র সঙ্গীত আর নাট্যজন জামাল উদ্দীন হোসেনের মূল বক্তব্য দিয়ে শুরু করা অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল মোমেন, নিউজার্সির কাউন্সিলম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরন নবী, লেখক বেলাল বেগ, মুক্তধারার কর্ণধার বিশ্বজিত সাহা, সাংবাদিক মঞ্জুর আহেমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন লেখক- কলামিস্ট হাসান ফেরদৌস। রাত ৯টা থেকে একটানা ১২টা পর্যন্ত চলে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘চাঁননী পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়’ গানটির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালনের পরই নাট্যজন জামাল উদ্দীন হোসেনের মূল বক্তৃতা শুরু হয়। তিনি বহুমাত্রিক হুমায়ূন আহমেদকে তাঁর বক্তৃতায় তুলে ধরেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাঙালি সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় সকল বক্তাই হুমায়ূন আহমেদের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বাংলাদেশে ক্যান্সার হাসাপাতাল স্থাপনে নিজ নিজ সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সুদূর ডেনভার থেকে পাঠানো ছোট গল্পকার জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে লেখা, অভিনেত্রী রেখা আহমেদের প্যাকেজ সংবাদ নাটকের অংশ বিশেষ অভিনয়, সেমন্তী ওয়াহিদের ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ গ্রন্থ থেকে তিন কন্যা নিয়ে লেখা অংশ পাঠ, হারুণ আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে অভিনয়ের স্মৃতিচারণ, তাজুল ইমামের কণ্ঠে ‘আমার গায়ে যত দুঃখ’ গান পরিবেশন, স্বপ্না কাওসারের লালনগীতি পরিবেশন, শিল্পী রথীন্ত্রনাথ রায়ের স্মৃতিচারণ, কবিতা পাঠ, বিভিন্ন প্রস্তাবনা এবং হুমায়ূনের ক্যান্সার হাসপাতালের নির্মাণে সহযোগিতার অঙ্গীকার নিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত গত ২৯ জুন ‘হুমায়ূন স্মরণ’ অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। |
|
| সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ ) |
| < পূর্বে | পরে > |
|---|