News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

২৩ মে ২০১৩, বৃহস্পতিবার      

নিউজ বাংলা বর্ষপূর্তি ২০১২

 
Bangla Font Help

নিউজ-বাংলা

নিউজ-বাংলা এখন ফেইস বুকে

বিস্তারিত

সাভার ট্র্যাজেডির ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে
প্রিয়বাংলা ইঙ্কের আয়োজনে

গীতল নৃত্য নাট্যঃ

জীবনের জয়গান
তারিখঃ ১লা জুন, শনিবার
সময়ঃ রাত আটটা
স্থানঃ থমাস জেফারসন মিডল স্কুল

উপহার বাংলাদেশ মেলা

আয়োজনেঃ বিসিসিডিআই
তারিখঃ ১৫ই জুন শনিবার
সময়ঃ সাড়ে ৪টা- সাড়ে ১০টা
স্থানঃ গানস্টন থিয়েটার
২৭০০ সাউথ ল্যাং স্ট্রীট
আর্লিংটন, ভিএ-২২২০৬

বার্ষিক পিকনিক


আয়োজনেঃ বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা (বাই)
তারিখঃ ২৩শে জুন, রবিবার
সময়ঃ ১১টা-৫টা
স্থানঃ Rock Creek Regional Park, 15700 Needwood Lake Circle,
Derwood, MD 20855. Picnic Area # 1,  Shelters B & C.

একতারা ক্রিকেট কাপ-২০১৩

তারিখঃ ২২-২৩শে জুন
স্থানঃ Newington heights park
8415 heller road, Lorton, VA 22079

বাগডিসির বার্ষিক পিকনিক

আয়োজনেঃ বাংলাদেশ এসোশিয়েশন অব গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি
তারিখঃ ২২শে জুন
স্থানঃ পরে জানানো হবে।


নির্মল সংগীত সন্ধ্যা

কত দিন পড়ে এলে
আয়োজনেঃ রংতুলি
তারিখঃ ২৪শে আগষ্ট শনিবার
 সময়ঃ
স্থানঃ 1080 Jefferson St Alexandria, VA 22314

 

সিন্ডিকেট

সুডোকু

মূলপাতা
হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রিন্ট কর
আশরাফ আহমেদ। মেরিল্যান্ড থেকে   
শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১২

   

বাড়ির লজিং মাষ্টারের ভবিষ্যৎবানী অনুসরণ করে নিঃসন্তান বড়মায়ের গর্ভে অপ্রত্যসিত ভাবে, “নন্দিত নরকে” এর অন্যতম চরিত্র মন্টুর জন্ম হয়েছিল। কিন্তু সেই ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে জন্মের পর ছেলের আঙ্গুলে আঙ্গুলে আংগুলে একটি গোমেদ পাথরের আংটি পরিয়ে দেয়ার পরামর্শের কথা বড়মায়ের আর খেয়াল ছিলনা। ফলে একসময় লজিং মাষ্টারকে দা দিয়ে কুপিয়ে “ফালাফালা” করে ফেলায় মণ্টুর ফাঁসি হয়ে যায়। আর আমরা সাধারণ পাঠকরা সেই চল্লিশ বছর আগে অত্যন্ত সংবেদনশীল সেই মণ্টুকে হাড়িয়ে আজো ‘শঙ্খনীল বেদনায় কারাগারের’ মাঝে আবদ্ধ হয়ে আছি।

 বড় মায়ের না হয় অভাবের বড় সংসারে রাজ্যের কাজ ছিল বলে আংটির কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। কিন্তু জন্মের আগেই যার নাম ঠিক করা ছিল, কাপড়চোপড় বানানো ছিল, মাবাবা-নানানানীর অধীর অপেক্ষা ছিল, তার জন্যে কোন ভবিষ্যদ্বাণীর কথা কে ভুলে গিয়েছিল? যিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে বই পড়ার দিকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন, যিনি টিভি নাটকের মাধ্যমে অবাক বিষ্ময়ে বাংলার গৃহবধুকে সংসারে নিজের মহিয়সী অবস্থানকে আবিষ্কার করতে প্রেরণা যুগিয়েছেন, যিনি পচনশীল আবহাওয়া থেকে বাংলা চলচ্ছিত্রকে মননশীল পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন, তাঁর কোন প্রয়োজনের কথা সবাই ভুলে গিয়েছিল? আলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন তাঁর নিজের সৃষ্টি “মিসির আলী” বা “হিমু”ও কি বড় অসময়ে তাঁর চলে যাওয়ার কথা আগে আঁচ করে কোন বিশেষ পাথরের আংটি বানিয়ে দিতে পারেনি? চল্লিশ বছর আগে মণ্টুর মত একটি সংবেদনশীল চরিত্র তার ভবিতব্যে প্রবেশ করায় আমরা, পাঠকরা যে বেদনায় মুহ্যমান হয়েছিলাম, আজ তার স্রষ্টা, হুমায়ুন আহমেদের তিরোধানে বাংলাদেশ, বাঙালি, ও বাংলা ভাষা একই বেদনায় গুমড়ে গুমড়ে উঠছে।

 তাঁর সৃ্তি ও সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।   

 সেটি ছিল ১৯৬৭ সন। ঢাকা কলেজের ছাত্র হলেও এক সন্ধ্যায় আমি টিএসসিতে গিয়েছিলাম; রোকেয়া হলের প্রথম বর্ষের ছাত্রী, আমার ছোটআপাকে নিয়ে তাঁদের ট্যালেণ্ট শো’তে। সেখানে কেমিষ্ট্রির এক ছাত্র চমৎকার কয়েকটি জাদু দেখিয়ে বাজি মাৎ করেছিলেন। তাঁর নাম ছিল হুমায়ূন আহমেদ। পরের বছর নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়ে আসার পর কে ‘একজন মাঝেমাঝে প্ল্যানচেটের মাধ্যমে প্রেতাত্মা আনতে পারেন’ বলে কানাঘুষা শুনতে পাই, তাঁরও নাম হুমায়ূন আহমেদ। ছাত্র থাকা অবস্থায়ই তাঁর প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিল। শেষ বর্ষের ছাত্র থাকা অবস্থায় কার্জন হ্ল বিডিং এর পেছনের বারান্দার এক কোণে চায়ের দোকানে বসে সিগারেট ফুঁকি। সদ্য শিক্ষক হওয়া হুমায়ূন আহমেদও আসেন সেখানে সিগারেট খেতে। যেচে, গায়ে পড়ে আলাপ করি। পরামর্শের ছলে জিজ্ঞেস করি আপনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখেননা কেন? বলতেন, ভবিষ্যতে কখনো লিখবো। এর পর নিজে শিক্ষক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স ক্লাবে মাঝে মাঝে দেখা হয়েছে তিনি যখনি সেখানে আসতেন। তাঁর লেখা, দেশ, ও সমাজ নিয়ে আলাপ হোত। চা-সিগ্রেট খেতে খেতে একদিন বলেছিলেন যে, আগের রাতে বংগবন্ধুর আত্মা তাঁর প্ল্যানচেটের আসরে দেখা দিয়েছিলেন। বলেছিলাম, আপনি কি সত্যিই প্ল্যানচেটে বিশ্বাস করেন? উত্তরে বলেছিলেন, ‘আপনাদেরই ছাত্র ফিরোজকেই জিজ্ঞেস করুননা কেন? সেইতো আমার প্ল্যানচেটের সবচেয়ে ভাল মিডিয়াম’। সেটি ছিল ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সনের মাঝে কোন এক সময়। তাঁর সাথে শেষ দেখা হয় ১৯৯৫ সনে নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত “ফোবানা” সম্মেলনে, হোটেলের এলিভেটরের ভেতরে। পরিচয় দিতে বলেছিলেন, “ওহ আশরাফ, তুমি কেমন আছ”?

 তাঁর আত্মাটি এখন কোথায় আছে্ন, কেমন আছেন, কি ভাবছেন, জানতে বড় ইচ্ছে হয়। তিনি আমাদের জন্য অফুরন্ত ভালবাসা রেখে গেছেন, যেমন রেখে গেছেন “তোমাদের জন্য ভালবাসা”। আজ তিনি যেখানেই থাকুন, যেভাবেই থাকুন না কেন, আমাদের সবার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা নিয়ে নিবিড় ও শান্তির ঘুমে ঘুমিয়ে থাকুন, এই কামনা করি।

   

১৯শে জুলাই, ২০১২

মেরিল্যাণ্ড, আমেরিকা

 

Comments  

 
#2 RE: হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলীAshraf Ahmed 2012-07-23 07:56
Mahmud bhai, Thanks for reading and the comment. I have not read all of his works, especially the recent ones. He has touched the lives of so many people! I am sure as time passes, we will see thorough analysis of his legacy and human deficiency.
Quote
 
 
#1 RE: হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলীHasan Mahmud 2012-07-22 11:35
সুন্দর উপস্থাপনা হয়েছে - লেখক তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে হুমায়ুন আহমেদের নুতন দিক তুলে ধরেছেন.

হুমায়ুন আহমেদ বিশাল লেখক ছিলেন - স্বভাবতই কোনো কোন ক্ষেত্রে বিতর্কিতও ছিলেন - ধীরে ধীরে সেগুলোও উঠে আসা দরকার.
Quote
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.

Details

IT LINK

 

বিস্তারিত যোগাযোগঃ www.itlinkcorp.com

 

যোগাযোগঃ মোহম্মদ আলী 703-340-7973

 বিস্তারিত

বিস্তারিত

ইমা কৌশলীর সিডি এলবাম

  

বিস্তারিত

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

আনু মুহাম্মদের সাথে কিছুক্ষন

বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, জাহাংগীর নগর বিশ্ববিদ্যাল্যের অধ্যাপক, তেল,গ্যাস,খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদের স্বাক্ষাতকার-সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন ‘নিউজ বাংলা’র বিশেষ সম্পাদক সনতোষ বড়ুয়া।

 

 বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ আমেরিকা এসেছিলেন ‘’ইউনিভার্সিটি অব অরিগন এবং স্কুল অব এডভান্সদ রিচারস ‘’ এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘’ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্ষুদ্র ঋণের ধরন ও প্রভাব সম্পর্কিত গবেষণা ও পর্যালোচনা’’ বিষয়ক ওয়রকশপে যোগদান করার জন্য। আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করাকালে তিনি আরলিংটনে অবস্থান করেছেন কয়েকদিন।

বিস্তারিত ...
 

প্রধানমন্ত্রীর ‘পিপলস এ্যামপাওয়ারমেন্ট’প্রস্তাব সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ

 জনগণের ক্ষমতায়ন’ তত্ত্বটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে দার্শনিক মাইলস্টোন।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

এ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে
 
 
Free Joomla Templates