| পদ্মাসেতু : ঘুষ দিতে চেয়েছে সিএনসি লাভালিন, লেনদেন হয়নি |
|
| নিউজ-বাংলা ডেস্ক | |
| সোমবার, ০২ জুলাই ২০১২ | |
|
মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে বহুল আলোচিত পদ্মাসেতু নির্মাণের কাজ পেতে চেষ্টা করেছিলো কানাডার বৃহত্তম নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিন। কোম্পানিটির হয়ে দুজন প্রতিনিধি বাংলাদেশের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে উৎকোচের প্রস্তাব দিয়েছিলো। তবে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। সম্প্রতি অন্টারিওর আদালতে সিএনসি লাভালিনের সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাক-বিচার শুনানীতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আদালতে এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, আর্থিক লেনদেন না হলেও উৎকোচ দিয়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টাটাই কানাডীয়ান ফরেন অফিসিয়িাল অ্যাক্ট এর পরিপন্থী। আর এই অভিযোগেই এসএনসি লাভালিনের টরন্টোভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রকল্পের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ এবং পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইলকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে । আদালত বিচারের জন্য মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং আগামী বছরে এর বিচার শুরু হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আগামী ৮-১৯ এপ্রিল ২০১৩ মামলাটির প্রাথমিক শুনানী হবে। কানাডার ওকভিলে বসবাসরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত রমেশ শাহ এবং মিসিসাওগায় বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইসমাইল সিএনসি লাভালিনের হয়ে উৎকোচ প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়। প্রাক বিচার শুনানীতে অভিযুক্ত দুইজন বা তার পক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে এর আগে কয়েক দফা তারা আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। আরসিএমপির মুখপাত্র কর্পোরাল লুসি শোরি জানিয়েছেন, এই দুইজনকে গত ২০ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় এবং এপ্রিলে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এদিকে মন্ট্রিয়লভিত্তিক প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক মন্ট্রিয়ল গেজেট তাদের এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের দুইজন সাবেক মন্ত্রীসহ ছয় জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মন্ট্রিয়লভিত্তিক এসএনসি লাভালিন মোটা অংকের উৎকোচ দেওয়ার অভিযোগটি ঢাকার দূর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে বলে বাংলাদেশের মিডিয়ায় খবর প্রকাশের একদিন পরই কানাডার পুলিশের কাছ থেকে এর সত্যতা পাওয়া গেলো। মন্ট্রিয়ল গেজেট ঢাকার ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারকে উদ্ধৃত করে বলেছে, দূর্নীতি দমন কমিশনের বেনামি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ঢাকারই ডেইলি স্টার খবর দিয়েছে যে, আরসিএমপির মুখপাত্র লুসি শোরি অবশ্য মন্ট্রিয়ল গেজেটকে বলেছেন, রয়্যাল মাউন্টেড পুলিশের ‘আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী স্কেয়াড’ ঢাকার দূর্নীতি দমন কমিশনকে তাদের তদন্তে পাওয়া ‘পাবলিক’ তথ্য সরবরাহ করেছে। তিনি ঢাকার পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের তথ্যগুলোতে ‘ইন একোরেসি’ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু তিনি বলতে সম্মত হননি। উল্লেখ্য, আরসিএমপির একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।
|
|
| সর্বশেষ আপডেট ( শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১২ ) |
| < পূর্বে | পরে > |
|---|