|

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এশিয়ার সেরা আটজন ক্ষমতাধর নারীর একজন। নিউজ চ্যানেল সিএনএন আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে এই তালিকা প্রকাশ করেছে। আরো সংবাদঃ জো বাইডেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে শান্তি আলোচনা হতে পারে
এবারে অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ করলো ৪১ মিলিয়ন দর্শক
জাতিসংঘের প্রতিবেদনঃ এশিয়া হারিয়েছে ৯লাখ ৬০হাজার নারী
এশিয়ার ষষ্ঠ সেরা নারী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এশিয়ার সেরা আটজন ক্ষমতাধর নারীর একজন। নিউজ চ্যানেল সিএনএন আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে এই তালিকা প্রকাশ করেছে। এশিয়ার রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের নিরিখে সিএনএন তালিকাটি তৈরি করেছে। এশিয়ার এমন সেরা আট নারীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাধর নারীর এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাইন ড্রাগনস পেপার হোল্ডিংসের প্রধান ঝাং ইন, পেপসিকোর ভারতীয় বংশোদ্ভুত সিইও ইন্দ্রানোয়ি দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। চতুর্থ স্থানে সিঙ্গাপুরের সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগ কোম্পানি টিমাসেক এর প্রধান নির্বাহী হো চিং ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক আইসিআইসিআই প্রধান ছন্দা কোচহার। দক্ষিণ কোরিয়ার সমন্বিত হুন্দাই কোম্পানীর চেয়ারপার্সন হিউন জিয়ং ইউন সপ্তম ও ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রী ইন্দ্রাবতী অষ্টম স্থানে রয়েছেন।
জো বাইডেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে শান্তি আলোচনা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেলেন।গত ৮ মার্চ সোমবার থেকে তাঁর এই সফর শুরু হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করা তার এ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য।সফরকালে বাইডেন ইসরাইল, প্যালেস্টাইন, মিশর ও জর্ডানের নেতাদের সাথে বৈঠক করবেন৷মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দায়িত্ব গ্রহণের পর, বাইডেনই হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উচ্চপদস্থ ব্যক্তি, যিনি মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন।প্যালেস্টাইন এবং ইসরাইলের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা গত প্রায় ১৪ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে৷এমনকি, এ আলোচনা আবার শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতাও কোনো কাজে আসেনি৷তার ওপর, গাজায় সাম্প্রতিককালের যুদ্ধের পর থেকে পিএলও ইসরাইলের সাথে কোনরকম আলোচনায় আগ্রহী নয়৷তাই ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট শান্তি আলোচনা শুরু করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন ৷ ারনা করা হচ্ছে,ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহ্ আন্দোলন ইসরাইলের সাথে পরোক্ষ শান্তি আলোচনার সবুজ সঙ্কেত পেয়েই বাইডেন তাঁর যাত্রা শুরু করেন।ফাতাহ্'র এক মুখপাত্র বলেন, প্রথমে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাপ চলবে৷ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে না৷এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আব্বাস তাঁর পূর্বের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ালেন।
এবারে অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ করলো ৪১ মিলিয়ন দর্শক এবারের সবচেয়ে বেশি দর্শক অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ করেছে। গত পাঁচ বছরে এত সংখ্যক দর্শক আর দেখা যায়নি। গত ৮ মার্চ সোমবার হলিউডের কোডাক থিয়েটারে অস্কারের ৮২তম আসর বসে। যুক্তরাষ্ট্রের নিলসন মিডিয়া রিসার্চ কোম্পানি তাদের এক পরিসংখ্যানে জানিয়েছে, ৪১ মিলিয়নেরও বেশি দর্শক এবারের অস্কার উপভোগ করেছে। গতবার এর হার ছিলো ৩৬.৩ মিলিয়ন দর্শক। যা এবারের থেকে ১৪ শতাংশ কম। নিলসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০৫ সালের অস্কার অনুষ্ঠান সবচেয়ে বেশি দর্শক উপভোগ করেছিলো। সেবারে দর্শকের পরিমান ছিলো ৪২.০১ মিলিয়ন। অপরদিকে ২০০৮ সালে সবচেয়ে কম সংখ্যক দর্শক অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। যার সংখ্যা ছিলো ৩২.০১ মিলিয়ন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনঃ এশিয়া হারিয়েছে ৯লাখ ৬০হাজার নারী
লিঙ্গ শনাক্ত করে গর্ভপাত, নবজাতক হত্যা এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টিতে অবহেলার কারণে এশিয়া থেকে হারিয়ে গেছে ৯ কোটি ৬০ লাখ নারী। ভারত ও চীন হারিয়েছে সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য বা অবহেলায় এদের মৃত্যু হয়েছে অথবা পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখার আগে ভ্রুণ অবস্থাতেই তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ৮ মার্চ সোমবার জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জানা গেছে এ ভয়াবহ তথ্য। বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রকল্পের(ইউএনডিপি)গত ৮ মার্চ সোমবার 'এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানব উন্নয়ন ২০১০ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা করে। এতে বলা হয়, বিশ্বে সন্তান জন্মের সময় পুরুষ-নারীরত্তিকে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য করা হয় এশিয়ায়। এ কারণে এ অঞ্চলে প্রতি ১১৯টি ছেলেশিশুর বিপরীতে পৃথিবীর মুখ দেখে মাত্র ১০০টি মেয়ে। সারা বিশ্বে এই অনুপাত ১০৭:১০০। প্রতিবেদনে বলা হয়, 'এশিয়া ৯ কোটি ৬০ লাখ নারীকে হারিয়েছে। লিঙ্গ শনাক্ত করে গর্ভপাত, নবজাতক হত্যা এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টিতে অবহেলার কারণে হারিয়ে গেছে এসব নারী। এই সংখ্যা আরো বাড়বে।' জন্মের সময় লিঙ্গভিত্তিক অসমতা ভারত ও চীনে সর্বাধিক। দুটি দেশে 'হারিয়ে যাওয়া' নারীর সংখ্যা আট কোটি ৫০ লাখ। সামগ্রিকভাবে এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতি হলেও কোটি কোটি নারী এ অগ্রগতির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিশ্বে এ অঞ্চল বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি সবচেয়ে শোচনীয়। সহিংসতা থেকে নারীদের নিরাপত্তা, একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চাকরি ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা সাব-সাহারান আফ্রিকার চেয়েও খারাপ। উক্ত প্রতিবেদনের লেখক অনুরাধা রাজিভান বলেন, 'ছেলে শিশুদের প্রাধান্য দেওয়ার পুরনো চিন্তাধারার সঙ্গে সমন্বয় ঘটেছে আধুনিক প্রযুক্তির। এ প্রযুক্তির সাহায্যে জন্ম নেওয়ার আগেই শিশুর লিঙ্গ নিশ্চিত করে মেয়ে শিশুকে হত্যা করার বিষয়টি সহজ হয়ে গেছে।' প্রকৃত লিঙ্গভিত্তিক জনসংখ্যার অনুপাতের সঙ্গে তাত্তি্বকভাবে (গর্ভধারণ, জন্ম ও পরবর্তী সময়ে সমসুযোগ পাওয়া সাপেক্ষে)বিষয়টি কী হওয়া উচিত_তার একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, 'মেয়েরা জন্মের পর বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা আশা করতে পারে না।' এই প্রতিবেদনে নারী অধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে তিন ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করা হয়। ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে অর্থনৈতিক ক্ষমতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও আইনগত সুরক্ষা। ইউএনডিপির বর্তমান প্রধান ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক বলেন, 'এই তিন ক্ষেত্রে উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে নারী-পুরুষ দু'পক্ষই উপকৃত হবে’।
|