News-Bangla - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার      

নিউজ বাংলা বর্ষপূর্তি ২০১০

 
Bangla Font Help

নিউজ-বাংলা

 ধ্রুপদ সাংষ্কৃতিক গোষ্ঠী

রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী-২০১০
(রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্প অবলম্বনে নাটক-ভুল স্বর্গ এবং
নজরুল সাহিত্যের প্রেম শীর্ষক গীতি আলেখ্য-নজরুল ও প্রেম)

তারিখঃ ১৮ই সেপ্টেম্বর
স্থানঃ হ্যারিস থিয়েটার, জর্জ মেশন ইউনিভার্সিটি
ফেয়ারফ্যাক্স, ভিএ

রংধনু

তারিখঃ ১৯শে সেপ্টেম্বর বিকেল চারটায় ম্যারীল্যান্ডের

স্থানঃF.Scott Fitzgerald Theatre,

 Civic Center Park

603 Edmonston Drive, Rockville, MD 20851


বাংলা স্কুলের ঈদ পূনর্মিলনী

তারিখঃ ২৫শে সেপ্টেম্বর
সময়ঃ বেলা ১১টা
আয়োজনেঃ
বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ইঙ্ক (বিসিসিডিআই)
স্থানঃ গানষ্টন কমিউনিটি সেন্টার
২৭০০ সাউথ ল্যাং স্ট্রীট, ভিএ-২২২০৬

ফুলতারার মেলা

বিস্তারিত

ডিইউ গ্র্যাজুয়েট পূনর্মিলনী

তারিখঃ ২৩শে অক্টোবর ২০১০

 

 

সিন্ডিকেট

সুডোকু

মূলপাতা
কথা নিয়ে যতো কথা প্রিন্ট কর
মোঃ শামীম আহসান   
রবিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০
মানুষ কথা না বলে থাকতে পারে না। আবার কথা নিয়ে কতো কথা বলুন ! কম কথা বললে ভাবে "অহংকারী" অথবা "দেমাগী"। অবশ্য ভাগ্য ভালো হলে ধরে নেয় "বড্ড চাঁপা মানুষ"। আবার বেশী কথা বললে "বাঁচাল" আর এটাকে গুণ হিসেবে নিলে জুটবে "বাকপটু"। বেশী কথার বিপদ এই যে বেফাঁস কথা বলার আশংকা অনেক। কেননা দেয়ালেরও কান আছে। তাইতো গুরুজন বলেন "বোবার শত্রু নেই"। তবুও মানুষ কথা বলে, কথায় ভোলে। অনেক সময় একটি কথার একাধিক অর্থ থাকে। ছাত্রজীবনের একটি ঘটনার কথা বলছি। হলের পাঠকক্ষে পত্রিকা পড়ছিলাম। এক সময় একটি শিরোনাম (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকা মারা নিয়ে সংঘর্ষে ৪ জন আহত) দেখে একজন আক্ষেপ করে বলেই ফেললো-দেখুনতো দেশের অবস্থা ! চিকা (ইঁদুর/ছুঁচো) মারা নিয়ে মারামারি! তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে। আসলে চিকা মারা যে ছুচোঁ মারা না, দেয়ালে লেখা সেটা তিনি জানতেন না বলেই মনে হয়।

সর্বস্তরে আক্ষরিক অর্থে বাংলা চালু হলে সম্ভাব্য  কি হতে পারে ভেবে দেখুন! "নিউমার্কেটে যাবো না বলে" বলতে হবে "নয়া বাজারে যাবো", গ্রীণ রোড হবে সবুজ সড়ক, টেলিফোন তুলে বলতে হবে ’ওহে  ওহে (হ্যালো হ্যালো), "ননসেন্স স্টুপিড" না বলে বলতে হবে "হে নির্বোধ", "ওহে বোকা", "নাইস ট্যু মিট ইউ" না বলে বলতে হবে "দেখে বড্ড খুশী হলুম"। এক ইন্টারভিউতে এক চৌকস চাকুরী প্রার্থীকে  অটোমোবাইলের বাংলা করতে বলা হলে তাৎক্ষণিক উত্তর সচল শকট।

ইংরেজীর একটি কদর সব সময়েই ছিল। যেমন-ঢাকা শহরে প্রায়শঃ দেখা যায় টিনশেড বাড়ীর সামনে সাধু ভাষায় লেখা থাকে "বাড়ী ভাঁড়া দেওয়া হইবে"। আবার সুরম্য অট্টালিকা বা মানসম্মত ফ্লাটবাড়ীর সামনে লেখা থাকে টু-লেট। অনেক ক্ষেত্রে বড়লোকের বাড়ীর সামনে লেখা থাকে "বি এও্যায়ার অফ ডগ"। সুখন মিয়ার ঢাকা দর্শনের কথা আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি। সুখন মিয়া মায়ের কাছে চিঠি লিখেছিল-মা, ঢাকা শহরের অধিকাংশ বাড়ীর মালিক টু-লেট সাহেব এবং খুউব বড়লোক তিনি!

যারা একটু বেশী চালাক তাঁরা ভাষায় মারপ্যাঁচে মানুষের কাছ থেকে কথা বের করতে চায়। যেমন-ছাত্র জীবনে দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচেলর বুদ্ধিজীবি শিক্ষক টিউটরিয়াল ক্লাস এর সুন্দরী ছাত্রীকে দেখে পাত্রী ভাবতে শুরু করেছেন। কিন্তু অবিবাহিত কিনা তা নিশ্চিত হবার জন্য বোকার মতো "আপনি কি বিবাহিতা"  না বলে বলেন "আপনি কি আপনার বাবার বাসায় থাকেন নাকি নিজের বাসায় থাকেন" ? আমি স্বামীর সাথে সন্তানসহ আলাদা ফ্লাটে থাকি- শুনলে শিক্ষক মহাশয়ের হৃদয় নদীতে যে তখনই চর পড়বে তা বৈকি! পথ চলতে যদি এমন কারো সাথে পরিচয় হয়ে থাকে "আপনি" না "তুমি" সম্বোধন করবেন তা বুঝতে পারছেন না সেক্ষেত্রে "কোথায় থাকা হয়,  কোথায় যাওয়া হচ্ছে,  নামটা যেন কি"  ইত্যাদি বলা যেতে পারে।

একটি গল্প বলছি। প্রেমালাপের এক পর্যায়ে প্রেমিকা প্রেমিককে "তুমি একটা পাগল" বলে সম্বোধন করে। প্রেমিক তাতে বিন্দুমাত্র বিরক্ত না হয়ে হেসেই বললো,  জানো পাগল মানে কি? প্রেমিকা না সূচক জবাব দেয়ায় প্রেমিক হেসেই বললো পাগল মানে "পারস্পরিক গভীরতার লক্ষণ"। সেদিন হুমায়ুন আহমদ এর এক নাটকে দেখলাম গ্রামের এক মূরুব্বী মধ্য বয়সী এক অকর্মণ্য লোককে "গাঁধা" বলে বকা দেওয়ায় লোকটি একটু হতাশ হলেও হাসি দিয়ে বললো- "অসুবিধা নাই, দুনিয়ায় গাঁধারও দরকার আছে"।

তৃতীয় বিশ্বের বিশেষ করে আফ্রিকার অনেক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শূণ্যের কোঠায় বা নেতিবাচক (নেগেটিভ গ্রোথ)। এসমস্ত দেশও নিজেদের উন্নয়গামী/উন্নয়নশীল  (ডেভালাপিং কান্ট্রিজ) বলে, "দরিদ্র" বলে না কেননা বলতে খারাপ শোনা যায় তাই। অনেকে ব্যঙ্গ করে বলে থাকেন এ সমস্ত দেশ "উন্নয়নকামী" অর্থাৎ যারা উন্নতি "কামনা" করে যাচ্ছে,  যদিও উন্নয়ন ঘটছে না যে তাকে "উন্নয়নগামী" বলা যাবে। দাতাদেশ সমূহকে (ডোনার্স)আজকাল উন্নয়ন সহযোগী (ডেভালাপমেন্ট পার্টনার্স) বলতে আমরা পছন্দ করি। সব মানুষের আত্মমর্যাদা বোধ আছে-এ ধারণা থেকে আজকাল "অন্ধকে" অন্ধ না বলা অনেক  ক্ষেত্রে বলা হয়  ভিজ্যুয়ালি ইম্পেয়ার্ড পার্সন (দৃষ্টিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত),। পঙ্গুদের (ডিজএবল্ড) বলা হয় ডিফরেন্টলি এবল পার্সন, কখনো কখনো তাদের অবস্থাকে এভাবে ব্যাখ্য করা হয় যে-ডিজএবল বাট নট আনএবল।

অনেক ব্যক্তি আছেন যারা সহজ জিনিসকে জটিল করে বলতে পছন্দ করেন। সরলকে করেন গরল। স্কুল জীবনের কথা বলছি। শিক্ষক এ ধরণের এক আঁতেল ছাত্রকে দেরীতে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করায় সে বলতে পারতো-রৌদ্রে ক্লান্ত হয়ে পড়ায় বিশ্রাম নিয়ে আসতে দেরী হয়েছে। তা না বলে কি বললো শুনুন । "প্রচন্ড সূর্যের মাতন্ড তাপে তাপিত হইয়া, অর্ধেক পথ আসিয়া পড়িলাম চিৎ হইয়া"। বুঝুন অবস্থা ! "জয়যাত্রা" কবিতার কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। শিক্ষক "জয়যাত্রা" কবিতার নিম্নের ৩টি লাইন সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা (সরলীকরণ) করতে বললেনঃ

"অজস্র মৃত্যুরে লঙ্খীন হে নবীন
চলো অনায়াসে
মৃত্যুঞ্জয়ী জীবন উল্লাসে"
ছাত্রটি যেভাবে লিখলো-

সরলীকরণঃ আস্তাকুড়াশ্রিত ও সংকীর্ণতার নাগপাশ ছিন্ন করে প্রগতি প্রবাহিত উৎকর্ণ মন্থিত জ্ঞানালোকের পাদপীঠে বিচরণ করার মানসে আঃ কাদির বিরচিত "জয়যাত্রা"  নামক কবিতা হইতে আলোচ্য অংশটুকু উৎকলিত হইয়াছে।

শিক্ষকের চোখ তো ছানাবড়া হবার যোগাড়!

একটি সত্য কাহিনী বলছি। ঢাকার মিরপুরে বড় একটি সভায় এক ভোটপ্রার্থী ভোটভিক্ষা করছেন। এক পর্যায়ে জনগনের পক্ষ থেকে দাবী উঠলো বয়স্কদের জন্য এলাকায় "নৈশ বিদ্যালয়" করে দেবার। তিনি আবেগে সবেগে উদ্বেলিত হয়ে বললেন-আমি জয়ী হয়ে "নয়শো নয়", এক হাজার বিদ্যালয় করে দেবো, চিন্তা করবেন না ভাইসব"। বিদ্যার ঢেকী আর কি !

ইংরেজী পত্রিকার হেডিং "অগ্রনী ব্যাংক এজিএম হেল্ড" দেখে পাঠক ধরেই নিল এজিএম(এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার) ভদ্রলোক নিশ্চয়ই অনেক তহবিল তছরূপ করেছে, তাই ধরা পড়েছে (হেল্ড) আরো একটু পড়ে জানা গেলো "এন্যুয়াল জেনারেল মিটিং অফ অগ্রনী ব্যাংক" অনুষ্ঠিত, অন্য কিছু নয়। আবার  "শ্রীলঙ্কান আর্মী কিলস থ্রী হান্ড্রেড টাইগার্স" মানে যে ৩০০ বাঘ হত্যা নয় বরঞ্চ ৩০০ বিদ্রোহী হত্যা তা শিরোনাম দেখে কেউ না বুঝতেও পারেন। একবার প্রাক্তন সৌদি বাদশাহ ফাহদ এর ব্যাপারে বড় শিরোনাম আসলো "ফাহাদ ডিসচার্জড" । পড়ে দেখা গেলো তিনি হস্পিটাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন মাত্র। ভাগ্যিস্ গদিচ্যুত হননি! ঢাকায় রাস্তার পাশে এক কাঁঠাল বিক্রেতা জোড়ে বলে যাচ্ছে "ন্যান স্যার মিষ্টি বেশী-----------ন্যান স্যার মিষ্টি বেশী"। এক বিদেশী পর্যটক (দঃ কোরীয়) কৌতুহলবশতঃ সহকারে জিজ্ঞেস করলো "হোয়্যার ইজ ল্যান্সার মিতসুবিশি"? দেখা গেলো বিক্রেতা তার কাঁঠাল মিষ্টি বেশী একথা বোঝাতে আরো জোরে বলে যাচ্ছে-ন্যান স্যার মিষ্টি বেশী!

নির্বাচনের সময় প্রার্থীর পক্ষে প্রায়শঃ লেখা থাকে-যেমন অমুখ ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র। সেদিন এক কার্টূনিষ্ট একটি ফেষ্টুন এঁকে দেখালো যেখানো লেখা আছে "মঘা ভাইয়ের চরিত্র(ধুতুরা) ফুলের মতো পবিত্র"। সরকারী চিকিৎসা ব্যবস্থায় হতাশ হয়ে এক ব্যক্তি আইপিজিএমআর এর ব্যাখ্যা করলো এভাবে (ও ইহকালবাসীর চ- পরকালে, এ গমনের, গ-মোক্ষম, জ-রাস্তা)। রাজউকের গণউচ্ছেদ অভিযান দেখে রস করে কেউ কেউ ব্যাখ্যা করেন "রাজধানী উজাড় কর্তৃপক্ষ"।

বর্তমান যুগে অনেকে শর্ট-কাট পছন্দ করেন। দীর্ঘসূত্রিতা "সরকারী অফিসের বৈশিষ্ট্য" মনে করেন। যেমন-আগে ছাত্ররা বৃষ্টির দিনে ছাত্র নিয়ে আসতো। পরবর্তীতে এটা একটা "ঝামেলা" মনে হওয়ায় ছাতার ব্যবহার হ্রাস পায়, সেক্ষেত্রে বৃষ্টি পড়লে হাতের ডায়েরী দিয়ে বৃষ্টি ঠেকানোর চেষ্টা করা হতো। ছাত্ররা (বিশ্ববিদ্যালয়ের) ডায়েরী বহন করাকেও এক পর্যায়ে কষ্টকর ভাবতে শুরু করে। শুধু একটা কলম (সাদা কাগজ সহপাঠীরা সরবরাহ করবে এ আশায়) পকেটে বহন করা শুরু করলো দেখে শিক্ষক ব্যাঙ্গ করে বললেন এখন তো মনে হয় বৃষ্টি নামলে মাথায় কলম তুলে ঠেকাতে হবে। এধরণের এক ছাত্র ঢাকা থেকে তার পিতাকে টাকা চেয়ে চিঠি লিখলো- "টাকা নাই, টাকা চাই--আঃ হাই"। পিতাও কম যান না, তিনি গ্রাম থেকে লিখলেন---"টাকার চাপ, কর মাপ-ইতি বাপ"। বুঝুন অবস্থা !

অনেক সময় কিছু কথাকে দ্ব্যর্থবোধক  মনে হয়। যেমন- "আপনি কোথায় আছেন"? বললে কর্মস্থল বা বাসার ঠিকানা দুটোই বুঝাতে পারে। শুধু কি এখানেই শেষ ? একজন এরকম প্রশ্নের জবাবে বললো আপাততঃ রোডস এন্ড হাইওয়ে এ আছি। প্রশ্নকারী বললো-চাকুরীতে ঢুকলেন কবে ? উত্তরে তিনি বললেন, ভাই বুঝলেন না রোডস এন্ড হাইওয়ে  মানে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি (চাকুরীর জন্য)। কি নিষ্ঠুর রসিকতা!

ম্যাট্রিক পরীক্ষায়  গঈছ (মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন) পদ্ধতি শুরু হলে ছাত্রদের মাথায় নাকি স্বাধীন চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। পরিদর্শক পিতার নাম জিজ্ঞেস করলে এক স্কুল ছাত্র বলেই উঠলো "চারটি নাম বলুন- একটি বলবো"!

কিছু কথার আক্ষরিক অর্থ গ্রহন করলে সমূহ বিপদ। যেমন- এসো এসো আমার ঘরে এসো (পরস্ত্রীকে নিজের ঘরে আমন্ত্রণ!)। আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা  (সত্য সত্যই শারীরিকভাবে মারলে তো এ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে)। একবার এক চোর নাকি চুরি করে ধরা পড়ে নাকে খত দিয়ে বাঁচলো। আবারো একই দোকানে চুরি করে ধরা পড়ায় সহাস্যে বললো-আমার কি দোষ বলুন- দেখুন না দোকানের সামনে কি লেখা আছে। সবাই অবাক বিস্ময়ে দেখলো লেখা আছে-ধন্যবাদ, আবার আসবেন। চোরের মুখে বিজয়ীর হাসি!

 
< পূর্বে   পরে >

 ঈদ মেলা

বাংলাদেশ-আমেরিকান ব্যান্ড এলায়েন্স (বাবা)
তারিখঃ ১১ই  সেপ্টেম্বর, শনিবার

সময়ঃ সন্ধ্যা ছয়টা

স্থানঃ জন এডামস এলিমেন্টারী স্কুল

৫৬৫১ রেবার্ণ এভিনিউ, আলেকজান্দ্রিয়া, ভিএ

নিউজ বাংলার পক্ষ থেকে আমাদের সম্মানিত মুসলিম পাঠকদের জন্য রইল মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।

খাতমুল কোরআন দোয়া ও
মসজিদের উন্নয়নে ফান্ড রেইজিং মাহফিল

বায়তুল মোকাররাম মসজিদ
২১১৬ সাউথ নেলসন স্ট্রীট, আর্লিংটন ভিএ-২২২০৪
তারিখঃ ৫ই সেপ্টেম্বর
সময়ঃ রাত ৯টা

ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকার ইফতার এবং সেহেরির সময়সুচীর জন্য এখানে ক্লিক করুন

 

 

বংলাদেশের রেডিওতে লাইফ সংবাদ এবং গান শুনুতে এখানে ক্লিক করুন

 সংবাদে আজকের বাংলাদেশ


আজকের দৈনিক পত্রিকা এবং বিভিন্ন চ্যানেলের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ নিয়ে সংবাদে আজকের বাংলাদেশ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
বিস্তারিত

 রয়েল এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠান


বিস্তারিত

বাংলাদেশে ফ্ল্যাট কিংবা জমি কিনতে চান?
ঢাকা হোমঃ এখানে ক্লিক করুন

বিস্তারিত

 

নৃত্য শিক্ষা কেন্দ্র


বিস্তারিত তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক ক

ইমা কৌশলীর সিডি এলবাম


বিস্তারিত

 রেডিও বাংলা ডিসি

বিস্তারিত


বিস্তারিত


বিস্তারিত


নিউজ-বাংলা এখন ফেইস বুকে

বিস্তারিত



 

 অন্যান্য পত্রিকা




 




 

রওনকের সাথে এক সন্ধ্যার আলাপন

“শুভ নব বর্ষ শুভ রাজনীতি” থেকে  আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি রাশেদা রওনক খান। হ্যাঁ, দর্শকনন্দিত টিভি উপস্থাপিকা  রাশেদা রওনক খানের কথাই বলছিলাম।  এই তো সেদিনের কথা  সময়ের আলোকিত উপস্থাপিকা হিসেবে চ্যানেল আই এর ছোট পর্দার দর্শকদের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছিলেন নান্দনিকতার  শৈল্পিক শোভিত  টক শোর গ্ল্যামারাস উপস্থাপিকতা হিসাবে।

বিস্তারিত ...
 

ছবি দিয়ে যায় চেনা

 

মেট্রো ওয়াশিংটনের সাংষ্কৃতিক অংগন মুখরিত বিগত কয়েক মাস ধরেই। জানুয়ারী-এপ্রিলের  নানা আয়োজনের উল্লেখযোগ্য কিছু অনুষ্ঠানের ছবি দিয়ে সাজানো হল এই "ছবি দিয়ে যায় চেনা" পর্বটি।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

এ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে
 
 
Free Joomla Templates