| বিসিসিডিআই'এর মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন |
|
| নিউজ বাংলা প্রতিবেদন | |
| সোমবার, ৩০ মার্চ ২০০৯ | |
|
বিসিসিডিআই পরিচালিত বাংলা স্কুল গত ২৮ মার্চ শনিবার গানস্টন কমিউনিটি সেন্টারে সমবেত ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও অতিথিরা এক উৎসবমূখর পরিবেশে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন। এই লেখার শেষে নিউজ বাংলার ফটো সাংবাদিক শামীম হায়দারের তোলা ছবি দিয়ে নির্মিত একটি ভিডিও দেখুন।
সকালের অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান আকর্ষণ ছিল শিশু কিশোরদের হাতে বাংলাদেশের পতাকা ও ছবির রঙ দিয়ে টি-শার্ট ডিজাইন। এসময় প্রতিটি টেবিলে বাংলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রী ও বিসিসিডিআইয়ের বোর্ড সদস্য ও অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের তত্বাবধান করেন। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা বিপুল উৎসাহ ও আনন্দের সাথে নিজেদের মনের মাধুরী মিশিয়ে দেশের ছবিকে টি-শার্টের ডিজাইনে ফুটিয়ে তুলে। পরে তারা নিজেদের হাতের তৈরী রং টি-শার্টগুলো স্যুভেনির হিসেবে নিয়ে যায়। এসময় বাংলা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রায় ষাটটি টি-শার্ট ডিজাইন করে। টিশার্টে দেশের ছবির হাতে আকাঁ বিমূর্ত প্রকাশ সকল অভিভাবক অতিথিদের মুগ্ধ করে। অনেকে তাদের ছেলেমেয়েদের এই শৈল্পিক প্রকাশের সুযোগ সৃস্টির জন্য বিসিসিডিআইয়ের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। অনেকে এই মহতী উদ্যোগকে সফল করার জন্য অর্থ প্রদানও করেন। অনুষ্ঠানের ছোটদের পর্ব শুরু হয় বাংলা স্কুলের ছাত্রী গৌরি ও ওয়াদিয়ার উপস্থাপনায়। ১৯৭১'এর মার্চে শুরু হওয়া নয় মাসের রক্তঝরা যুদ্ধ, তিরিশ লক্ষ বাঙ্গালীর আত্মদান এবং অসম্ভব ত্যাগকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে শুরু হয় অনুষ্ঠান। শ্রদ্ধাভরে সকলে স্মরণ করে সেইসব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তারপর বাংলা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা জাতীয় সঙ্গীত ও দেশের গান ধনে ধান্যে পুস্পে ভরা গানটি পরিবেশন করে। গানের শিক্ষক মেহেরুল হক ইতির তত্বাবধানে গান পরিবেশন করে বাংলা স্কুলের রেহানা, অধরা, ওয়াদিয়া, আনিকা, ফারহানা, লিসা, উর্নিষা, জায়রা, ও বিপা। এর পর স্বাধীনতার স্মারকপত্র পড়ে বাংলা স্কুলের ছাত্রী দিশা। স্মারকপত্রের পর শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রীদের কবিতা আবৃত্তির আসর। কবিতা আবৃত্তি করে রেহানা, প্রবাল, আনিকা, ইরতিজা, ইবতিদা, উর্নিষা, মুনতাসির, মুসাব্বির, তাসনিয়া, আনজুমসহ আরও অনেকে। এর মাঝে নৃত্য পরিবেশন করে জায়রা ও বিপা। ছোটদের অনুষ্ঠানের শেষে আবারও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, আজ স্বাধীন বলেই আমরা পেয়েছি ধানসিঁড়ির দেশ, নবান্নের দেশ -বাংলাদেশকে। তাই, আজ আমরা গর্বিত বাংলাদেশী। লক্ষ লক্ষ আত্মত্যাগের দানে কেনা আমাদের স্বাধীনতা। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ হয় ছোটদের অনুষ্ঠান। এর পর অতিথিদের পরিবেশন করা হয় দুপোরের খাবার। মহান স্বাধীনতার স্মরণে আইসক্রিম কেক কাটার অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোররা আনন্দে হ্যাপী বার্থডে বাংলাদেশ গাইতে শুরু করে। অনুষ্ঠানের এই পর্যায়ে উপস্থিত সবচেয়ে বয়োজ্যষ্ঠা একজন অতিথি কেক কেটে সর্বকনিষ্ঠ উপস্থিত অতিথি শিশুর মুখে তুলে দেন। বিসিসিডিআই'এর কালচারাল সেক্রেটারী প্রিয়লাল কর্মকারের উপস্থাপনায় বড়োদের অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমে গান পরিবেশন করেন গানের শিক্ষক মেহেরুল হক ইতি ও বাংলা শিক্ষয়িত্রী মেরিনা রহমান। কবিতা আবৃত্তি করেন অভিভাবিকা সুমাইয়া ফারুক। এ সময় হারমোনিয়ামে সহযোগিতা করেন মেরিনা রহমান।
আবৃত্তি করেন বাংলা স্কুলের শিক্ষিকা শাহনাজ ফারুক। এছাড়া, কবিতা আবৃত্তি করেন জনাব শামীম চৌধুরী ও তার স্ত্রী মিসেস রুমানা সুমি চৌধুরী গান পরিবেশন করেন।
|
| < পূর্বে | পরে > |
|---|