News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

১৬ জানুয়ারী ২০১৮, মঙ্গলবার      
মূলপাতা
মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট-কংগ্রেসে ডেমক্র্যাটদের বিপুল বিজয় হবে প্রিন্ট কর
হাকিকুল ইসলাম খোকন , নিউইয়র্ক   
শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭
নিউইয়র্কে অ্যাসাল’র বার্ষিক কনভেনশনে বক্তারা
নিউইয়র্কে অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার-অ্যাসাল’র বার্ষিক কনভেনশনে বক্তারা বলেছেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইউএস সিনেট ও কংগ্রেসে ডেমক্র্যাটদের বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে গণবিরোধী কাজে প্রবৃত্তদের প্রশাসন থেকে হটিয়ে দিতে হবে।  আমেরিকার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা, ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মূলধারায় আরো জোরালো অবস্থানে নিতে হবে। কোন মানুষই যাতে বৈষম্যের শিকার না হন সে বিষয়েও সোচ্চার হতে হবে সকলকে। তারা বলেন, বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ানরা যাতে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হন সে লক্ষে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণেও উদ্যোমী হতে হবে। যারা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন, তাদের সকলকে হতে হবে ভোটার।
’সাউথ এশিয়ানস ইন আমেরিকা- উই আর স্ট্রংগার টুগেদার’- এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে স্থানীয় সময় ৯ ডিসেম্বর শনিবার ম্যানহাটানের লোকাল ইউনিয়ন হলে বর্ণাঢ্য আয়োজন আর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় অ্যাসাল’র দশম বার্ষিক কনভেনশন।
যুক্তরাষ্ট্রে মূলধারায় দক্ষিণ এশিয়ার ৮ দেশীয় ইমিগ্র্যান্টদের একমাত্র সংগঠন অ্যাসালের এ ব্যতিক্রমী মিলনমেলা শুরু হয় এদিন বিকেল প্রায় ৪টায় আর শেষ হয় রাত ১০ টায়।
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় এ কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন। উদ্বোধনী ভাষনে মাফ মিসবাহ উদ্দিন অ্যাসালের প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি ইমিগ্র্যান্টদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কনভেনশনে বিগত বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন অ্যাসালের ন্যাশনাল সেক্রেটারী এম করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, শুধু পার্টিগত ভাবেই নয়, সাউথ এশিয়ানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যারাই কাজ করবে তাদের সমর্থন দিয়ে যাবে অ্যাসাল। তিনি এসময় অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটিসহ বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টেনথ এন্যুয়েল কনভেনশন কমিটির চেয়ার ও অ্যাসালের লাইফ মেম্বার কৃষ রুদ্র।
অনুষ্ঠানে কী নোট স্পীকার ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি স্পীকার চার্ল ই হেস্টাই। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট কম্পট্রোলার থমাস দিনাপলি, নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক এডভোকেট ল্যাতিটিয়া টিশ জেম্স, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলার স্কট স্ট্রিনজার, নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট ১২ থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসওম্যান ক্যারোলিন বি মেলোনী, নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট ৩ থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান থমাস সুয়াজি, কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এর প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৯-এর সিনেটর রেক্সনী পারসউদ, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ২০-এর সিনেটর জেসে হ্যামিলটন, অ্যাসেম্বলিম্যান (ব্রঙ্কস) মাইকেল এ ব্লেক, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫১-এর অ্যাসেম্বলিম্যান ফেলিক্স ওটিজ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৯-এর অ্যাসেম্বলিম্যান এলিসা এল হান্ডম্যান, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫৯-এর অ্যাসেম্বলিম্যান জেমিক উইলিয়ামস, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৪৩-এর অ্যাসেম্বলিওম্যান ডায়না সি রিচার্ডসন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫৬-এর অ্যাসেম্বলিওম্যান ট্রিমানী রাইট, ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর কাউন্সিলম্যান রোরি ল্যান্সম্যান, ডিস্ট্রিক্ট ২৩-এর কাউন্সিলম্যান ব্যারি গডেনচিক প্রমুখ।খবর বাপসনিঊজ।
কনভেনশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও প্যানেল ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে
‘দ্য ২০১৮ মিডটার্ম ইলেকশন-হোয়াট রোল উই প্লে’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন নিউজার্সী’র প্রসপেক্টপার্ক ব্যুারো মেয়র মোহাম্মদ টি খায়রুল্লাহ, হোলসেল অ্যান্ড ডিপার্টম্যান্ট স্টোর ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট রিটেইল স্টুয়ার্ট এপিলবাম, কমিউনিকেশান ওয়ার্কার্স অব আমেরিকার লোকাল ১১৮০’র প্রেসিডেন্ট আর্থার চ্যালোটিজ, নিউইয়র্ক স্টেট এএফএল-সিআইও কনসটিটিউন্সি গ্রুপস ডাইরেক্টর ফারিদ মিসিলেন এবং অ্যাসাল- মিশিগান চ্যাপ্টারের পলিটিক্যাল ডিরেক্টও ইব্রাহিম আল জাহিম। এ প্যানেলে মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল মিশিগান চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট মো. রাব্বি আলম।
প্যানেল আলোচকরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গৃহীত নানা পদক্ষেপে দক্ষিণ এশিয়ানদের ইমিগ্রেশন ইস্যুসহ কমিউনিটির সার্বিক উন্নয়নে নানা পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম ও ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী বক্তব্য এবং গৃহীত প্রদক্ষেপে ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসব বক্তব্য এবং গৃহীত প্রদক্ষেপকে আমেরিকার মূল্যবোধ ও মানবাধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে তারা বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নই। ট্রাম্পের হিংসা, জাতি, বর্ণ ও ধর্মে বিভক্তির বিরুদ্ধে। তারা বলেন, ভয় পেলে চলবে না একে অন্যকে প্রটেক্ট করতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
আগামী বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও কংগ্রেসে ডেমক্র্যাটদের আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে গণবিরোধী কাজে প্রবৃত্তদের প্রশাসন থেকে হটিয়ে দিতে হবে।
এছাড়া ‘দ্য চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড সিগনিফিকেন্স অব অর্গানাইজিং আওয়ার ইউথ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের কোয়ালিশন অব ব্ল্যাক ট্রেড ইউনিয়নিস্ট চার্লস জেনকিনস, লেবার কাউন্সিল ফর ল্যাটিন আমেরিকান এডভান্সমেন্ট এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এডোয়ার্ড রোজারিও, গভর্ণস সিনিয়ার লীডারশীপ টীম এক্সিকিউটিভ চেম্বারের জেনিফার রাজকুমার ইএসকিউ, কুইন্স কাউন্টি ইয়াং ডেমোক্রেটস’র ভাইস প্রসিডেন্ট এন্টিনিও আলফান্সো, কাউন্সিলম্যান ডোনোভান রিসার্ডসের এক্সিকিউটিভ এসিসটেন্স মালিক স্যান্ডার্স এবং নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৯-এর সিনেটর জেমস স্যান্ডার্সের ইকোনমিক ডেভোলপমেন্ট ডাইরেক্টর ল্যাটিয়া ব্যাঞ্জামিন। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল’র ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েট পলিটিক্যাল ডিরেক্টর জামিলা এ উদ্দিন।
সেমিনারে যুবকদের সুসংগঠিত করার উপায় ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা শেষে সুপারিশনামা পেশ করেন প্যানেলিস্টরা। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণের দিক নির্দেশনার কথাও বলেন তারা।
অনুষ্ঠানে অ্যাসাল-এর প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ বলেন, আমেরিকায় দক্ষিণ এশিয়ান শ্রমিকসহ ইমিগ্র্যান্টদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১০ বছর ধরে নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাসাল। তিনি মূলধারায় অ্যাসালের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অ্যাসালের প্ল্যাটফরম থেকে বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের তৃণমূল থেকে বিভিন্ন দাবি দাওয়া জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু নিজেদের মধ্যে আবদ্ধ থাকলে চলবে না। নিজেদের অধিকার আদায়ে আরো বেশী সক্রিয় হতে হবে। প্রতিবেশীসহ ভিন্ন ভাষা-ভাষী, জাতি-ধর্ম-বর্ণের মানুষের সাথেও মিশতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য, সিটি এবং কাউন্টিতে গত ৭ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রায় প্রতিটিতেই সুফল এসেছে ডেমক্র্যাটদের। এই নির্বাচনে বেশ ক’টি এলাকায় বাংলাদেশীরাও ছিলেন। সদ্য সমাপ্ত এ নির্বাচনে ডেমক্র্যাটদের বিজয়ী করতে অ্যাসাল বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। আগামী বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনেও ইউএস সিনেট ও কংগ্রেসে ডেমক্র্যাটদের বিপুল বিজয়ের জন্য কাজ করে যাবে অ্যাসাল। আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জোরালো ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। তিনি অ্যাসালসহ বাংলাদেশীদের ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য নের্তৃবৃন্দের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
কনভেনশনে বিভিন্ন বক্তারা তাদের বক্তব্যে অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসাসহ সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন এবং মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন। বক্তারা দক্ষিণ এশিয়ানদের স্বার্থে অ্যাসাল-এর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার ব্যপারে উৎসাহ প্রদান করেন। মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির অবস্থানকে আরও সুসংহত করার জন্য অ্যাসাল’র অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মুসলিম এবং ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিকে আশ্বস্ত করে তারা সবসময় ইমিগ্র্যান্টদের পাশে থাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, আমেরিকার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ানরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আগামীতে তারাই হবেন হবেন অনেক কিছুর নিয়ন্ত্রক শক্তি। অনেক কিছুই নির্ভর করবে তাদের সমর্থনের ওপর। আমেরিকার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা, ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মূলধারায় আরো জোরালো অবস্থান নিতে হবে। কোন মানুষই যাতে বৈষম্যের শিকার না হন সে বিষয়েও সোচ্চার হতে হবে। তারা বলেন, বিভিন্ন নির্বাচিত প্রতিনিধি-প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ কম থাকায় অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন ইমিগ্র্যান্টরা। প্রয়োজনীয় যোগাযোগ থাকলে নিজের অধিকার সম্পর্কে সজাগ হওয়া যায়। বৈষম্যে থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। সকলে মিলে বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ানদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পথ সুগম করতে হবে। যারা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন, তাদের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নিউইয়র্ক স্টেট এএফএল-সিআইও সেক্রেটারী-ট্রেজারার এবং এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের কোয়ালিশন অব ব্ল্যাক ট্রেড ইউনিয়নিস্টস প্রেসিডেন্ট টেরেন্স মেলভিন, এএফএসসিএমই ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল-৩৭ এবং লোকাল ১৫৪৯’র প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড রোডারিগাজ এবং অ্যাসালের ফাউন্ডিং ট্রেজারার আহমেদ শাকিরসহ মূলধারা ও অ্যাসাল’র কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে পাবলিক স্কয়ারি : স্পিক ইউর মাইন্ড -এ অ্যাসালের ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ডা. মুজিবুর রহমান মজুমদার বক্তব্য রাখেন। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসালের কুইন্স চ্যাপ্টারের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মো: সাবুল উদ্দিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ড. পেরী পিঙ্কেল, অ্যাসাল এনজে সেক্রেটারি ছিটু প্যাটেল, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রফিক।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল করেসপন্ডেস সেক্রেটারী জেড মাতালান। কনভেনশন শুরুতে শপথ বাক্য পাঠ করান অ্যাসাল স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের ইউথ কমিটির ফাতিন ইসতিয়াক। অভ্যর্থনায় ছিলেন রিসিপশান কমিটির চেয়ার ও অ্যাসালের স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ড. নিথিয়া চ্যাটার্জি। রেজিস্ট্রেশানের দায়িত্বে ছিলেন কমিটির চেয়ার মোশাররফ চৌধুরী। অন্যান্য দায়িত্বে ছিলেন মাসুদ রহমান, আনোয়ার উদ্দিন এবং অ্যাশলি রাজাকারুনাসহ অ্যাসাল’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
দশম বার্ষিক কনভেনশন উপলক্ষে অ্যাসাল -ইজ অব দ্য কমিউনিটি অ্যান্ড ফর দ্য কমিউনিটি শিরোণামে তথ্য সমৃদ্ধ একটি বিশেষ জার্নাল প্রকাশ করা হয়।
কনভেনশনে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্ট এবং  অ্যাসাল-এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুনী জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এওয়ার্ড তুলে দেন অ্যাসালের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন। এসময় অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটিসহ অ্যাসাল এর বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাসালের এ অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিকরা অংশ নিয়ে অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন। স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্টের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও মূলধারাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরূপ অ্যাসালকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়।
বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে এ অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিক, কংগ্রেসম্যান, নিউইয়র্ক স্টেট ও সিটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, অ্যাসাল-এর সদস্য, কমিউনিটি লিডারসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ আপডেট ( শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.
 
  

 DETAILS 

 

 Details

Details 

Details 

 Click here for details

 

 Details 

  Details

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

বাচিক শিল্পী কাজী আরিফের সাথে একটি অনন্য সন্ধ্যা


আমেরিকাতে এখন গ্রীষ্মের শেষ লগ্ন। হেমন্তের (ফল)এর আগমনীর প্রাক্কালে সেদিনের অপরাহ্নটি ছিল সিগ্ধ শ্যামল। গত ১১ই সেপ্টেম্বরের  এমনি এক সোনালী রোদেলা বিকেলে
ভার্জিনিয়া রাজ্যের  স্টারলিংস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল দেশ বরণ্য আবৃত্তি শিল্পী কাজী আরিফের আবৃত্তি সন্ধ্যা।

বিস্তারিত ...
 

২রা এপ্রিল শংকর চক্রবর্তীর মনোজ্ঞ সংগীত সন্ধ্যা


আগামী ২রা এপ্রিল  রবিবার  বিকেল চারটায় ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডস্থ কমফোর্ট ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে  বরণ্য  নজরুল গীতি, গজল এবং হারানো দিনের আধুনিক বাংলা গানের গুনী  শিল্পী  শংকর চক্রবর্তীর একক  সংগীতানুষ্ঠান। সঙ্গত আর সংগীতের অসাধারণ ঐকতানে শংকর চক্রবর্তীর এই মনোজ্ঞ সংগীতের আসরটি  বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবে সাজানো হচ্ছে। দর্শক শ্রোতারা দারুন ভাবে উপভোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

Why do you visit News-Bangla
 
 
Free Joomla Templates