News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার      
মূলপাতা
সম্প্রীতির বন্ধন শারদীয় দুর্গোৎসব প্রিন্ট কর
স্বপন কুমার সাহা   
সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০১৭
পূজা মানে আনন্দ, পূজা মানে প্রাণের উত্সব আর সম্প্রীতির মিলনমেলা। ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে পূজায়। মানুষে মানুষে এমন সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে এসেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহত্ শারদীয় দুর্গোত্সব। ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোত্সব ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে। ঐতিহাসিকভাবে বাঙালি হিন্দু সমপ্রদায়ের সর্ববৃহত্ ধর্মীয় উত্সব দুর্গাপূজা। সবার কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে চমত্কার সম্প্রীতির পরিবেশে আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে শারদীয় দুর্গোত্সব। যেহেতু এ দুর্গোত্সব শরত্কালে অনুষ্ঠিত হয়, সেহেতু এ দুর্গাপূজাকে শারদীয় দুর্গাপূজা হিসেবেও বলা হয়ে থাকে। আবার ভক্তবৃন্দ দুর্গা মাকে জগতের মাতা হিসেবে জগত্জননী মা দুর্গা হিসেবে ধারণ করে প্রার্থনা করেন। ভক্তদের আকুল প্রার্থনা থাকে জগত্মাতা দুর্গোগতিনাশিনীর নিকট জগতের সব মানুষের দুঃখ, দৈন্যতা, দূরদশা, হিংসা-বিদ্বেষসহ সব ধরনের রোগ-শোক থেকে মুক্ত থাকা ও মানুষে মানুষে সভ্যতার সুহূদ বন্ধনকে প্রতিষ্ঠা করে শান্তির পৃথিবী সৃষ্টি করাই জগত্জননী মা দুর্গার নিকট প্রার্থনা জানায় সব ভক্তবৃন্দ।
দুর্গাপূজার প্রধান আবেদন হলো, ‘দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন’, অর্থাত্ সব অশুভ শক্তিকে নির্মূল করার জন্যই পৃথিবীতে প্রতি বছর দুইবার দেবী দুর্গার আগমন হয়। প্রাচীনকাল থেকেই বছরের চৈত্র মাসে অর্থাত্ বসন্তকালে ‘বাসন্তী’ নামে পৃথিবীতে মা দুর্গা আবির্ভূত হন। যা হিন্দু সম্প্রদায় ‘বাসন্তী পূজা’ হিসেবে অর্চনা করে আসছেন। রাক্ষস রাজা রাবণ রামচন্দ্রকে যুদ্ধে পরাভূত করার জন্য কৌশল হিসেবে তার সহধর্মিণী সীতাকে অপহরণ করে লঙ্কায় নিয়ে যায়। রামচন্দ্র সীতাকে উদ্ধারের জন্য শরত্কালে অকালবোধনের মাধ্যমে মা দুর্গাকে আহ্বান করেন। তখন থেকেই শরত্কালে এই শারদীয় পূজার প্রচলন শুরু। ভক্তরা বাসন্তী মায়ের কাছে আরাধনা করেন সব প্রাণীর দুঃখ-দৈন্য, অভাব-অনটন, রোগমুক্তি, অন্যায়-অবিচার, অত্যাচার দূর করে মানুষের তথা দেশের সুখ- সমৃদ্ধি ও শান্তিময় জীবনের আশায়। শারদীয় উত্সবের উদ্দেশ্য একই, তবে বাসন্তী পূজার তুলনায় শারদীয় পূজার সর্বজনীনতা ও উতত্সবের ব্যাপকতা অনেক বেশি। শরতের শিশিরভেজা শিউলি ফুলের গন্ধ, কাশফুলের শুভ্রতা, আকাশজুড়ে শরতের সাদা মেঘ সবই যেন মা দুর্গার আগমন বার্তা নিয়ে আসে ভক্তদের মাঝে। তখন থেকেই শুরু হয়ে যায় দেবীকে বরণ করে নেয়ার আয়োজন। ইতিহাসে কথিত আছে, প্রায় ২০০ বছর আগে রাজশাহীর রাজা কংস নারায়ণ প্রথম শরতত্কালে দুর্গোত্সব শুরু করেছিলেন। যেহেতু দুর্গোত্সব ব্যয় বহুল সেহেতু অতীতে রাজা-জমিদাররাই এর আয়োজন করতেন। মাসব্যাপী এ উত্সবের আমেজ ওই অঞ্চলের সব মানুষই উপভোগ করত। পরবর্তী পর্যায়ে সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুর্গাপূজা সার্বজনীন পূজা হিসেবে প্রচলিত হয়।
এ পূজা এখন সবার কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও জনপ্রিয়। তাই শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হওয়ার প্রায় দুই মাস আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু হয় বিভিন্ন মন্দির, আশ্রম, সংগঠন, শহর-বন্দর, উপজেলা ও জেলা শহরে। ধর্মীয়ভাবে প্রচলিত আছে যে, মা দুর্গা এ সময় তার স্বামী-সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়িতে আসেন, তাই ব্যাপক আয়োজন করা হয়ে থাকে। মা দুর্গা, তার সন্তান লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক ও স্বামী ভগবান মহেশ্বরকে সঙ্গে নিয়ে মর্ত্যে আগমন করেন। অসূর শক্তি নিধনের প্রতীকী মূর্তিতে আমরা মা দুর্গাকে মহিষাসুর বধ করার দৃশ্যে দেখতে পাই। কে কত সুন্দর ও আকর্ষণীয়ভাবে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে এ নিয়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ আয়োজকদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল প্রতিযোগিতা। মৃিশল্পীদের মধ্যেও প্রতিযোগিতা হয় কে কত সুন্দর ও শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রতিমা নির্মাণ করে আয়োজকদের মধ্যে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পারেন।
আমরা লক্ষ্য করেছি, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে পূজার আয়োজন বেড়েই চলেছে। স্বাধীনতার পরপর সারা বাংলাদেশে পূজার আয়োজন হতো চার থেকে পাঁচ হাজারের মতো। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পূজার সংখ্যা ক্রামশ বাড়ছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এবার সারাদেশে প্রায় ৩০ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
পূজার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা। স্বাধীনতার মূল্যবোধগুলোর অন্যতম হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। কিন্তু ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর স্বাধীনতার মূল্যবোধগুলো একে একে পবিত্র সংবিধান থেকে মুছে ফেলতে পরবর্তী সরকারগুলো নানাভাবে ষড়যন্ত্র করেছে। অন্য চিন্তায় অর্থাত্ পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ পরিচালনা করা হয় দীর্ঘ ২১ বছর। ১৯৮৮ সালে তত্কালীন সরকারের আমলে সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম। এতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্র পরিচালনার যে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল তাতে ক্ষতবিক্ষত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করা হয়।
১৯৯৩ সালে এক শ্রেণির দুষ্কৃতকারী ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য মিছিলে হামলা করে। এতে প্রায় ৩০ জনের মতো ভক্ত আহত হয়, তাদের মধ্যে চার-পাঁচজন দৃষ্টিশক্তিও হারায়। এ হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বানে দেশব্যাপী মায়ের প্রতিমা অবয়ব নির্মাণের বদলে ঘট পূজা করা হয়। শুধু বাংলাদেশেই নয়, এ প্রতিবাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেমন আমেরিকা, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানেও ঘট পূজার মাধ্যমে মায়ের আরাধনা করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় স্বাধীনতার অন্যতম মূল্যবোধ ধর্মনিরপেক্ষতা ধারণ করে দেশ পরিচালনা করতে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারল না। তারপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুলভাবে বিজয়ী হওয়ার পর থেকে আট বছর ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার মাধ্যমে স্বাধীনতার মূল্যবোধগুলো ধারণ করে দেশ পরিচালনায় এক যুগান্তকারী উন্নয়নের ভূমিকা রাখছে বলেই সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে ও স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করে যাচ্ছে, আর তারই সঙ্গে বেড়ে চলেছে পূজার সংখ্যা। আরেকটি বড় কারণ হলো- ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র আমাদের সবারই’ এটাকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আজ জনপ্রিয় স্লোগান হলো, ‘ধর্ম যার যার, উত্সব সবার।’ এই স্লোগান ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যান এবং বিশ্বাসের সঙ্গে সে কথা বলেন। সে কারণেই আজ এ স্লোগান সর্বমহলে, এমনকি রাজনীতিবিদদের মধ্যেও জনপ্রিয়তা লাভ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই ১৯৮২ সালে সর্বপ্রথম একটি বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহানগর সর্বজনীন পূজামণ্ডপ, পুরান ঢাকার পূজামণ্ডপ ও ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে ধর্মে ধর্মে সম্প্রীতির এক নতুন দিকনির্দেশনার সূচনা করেন। তখন থেকেই তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অথবা বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে আসছেন। অতীতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে কেউ এভাবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেননি।
উল্লেখ্য, এখন সব রাজনৈতিক দলের নেতা, বুদ্ধিজীবী, সুধী সমাজসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঙালি হিন্দু ঐতিহ্যের সর্ববৃহত্ ধর্মীয় উত্সব দুর্গাপূজায় মণ্ডপে যান এবং এর মধ্য দিয়ে ধর্মে ধর্মে, বর্ণে বর্ণে, গোত্রে গোত্রে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে এক মহা মিলন মেলার সৃষ্টি হয়। এতে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। বিভিন্ন রাষ্ট্রের বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলে শারদীয় দুর্গোত্সবের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উত্সবের আমেজে পাঁচ দিনব্যাপী সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এক সুন্দর সম্প্রীতির পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আজ এ উত্সব সব মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্গাপূজা হলো সব অন্যায়, অনিয়ম, অবিচারের বিরুদ্ধে সত্য সুন্দর প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। মা দুর্গা জগত্ জননী হলো- শান্তি ও শক্তির প্রতীক। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ যে, ভারতের সাবেক পশ্চিমবঙ্গ, বর্তমানে ‘বাংলা’ রাজ্যসহ আসাম, ত্রিপুরা ও অন্যান্য বাঙালি হিন্দু অঞ্চলে দুর্গাপূজার আনন্দ-উদ্দীপনা, আকর্ষণ ও ব্যাপকতা দেশ-বিদেশে বিশেষভাবে আলোচিত এবং প্রশংসিত। তাছাড়া আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, নেপালসহ বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও এই শারদীয় দুর্গোত্সব বেশ জাঁকজমকপূর্ণভাবেই পালিত হচ্ছে।
এবারের দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে দুর্গাপূজার উত্সবের আয়োজন সতর্কতার সঙ্গে নেয়া হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য সংস্থার সব সদস্যের সতর্ক নজরদারি থাকবে পূজামণ্ডপগুলোয়। যাতে কেউ কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য প্রতিটি মণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আজ দেশের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ প্রতিহত করে যাচ্ছে দক্ষতার সঙ্গে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ-সাম্প্রদায়িকতা বাংলাদেশের মাটি থেকে চিরতরে নির্মূল করার জন্য দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তাই এবার উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে দুর্গাপূজার উত্সব নির্বিঘ্নে পালনের উদ্দেশ্যে দেশের সব পূজামণ্ডপে সতর্ক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মা দুর্গা দুর্গতিনাশিনী হিসেবে প্রতি বছর ভক্তদের সামনে আবির্ভূত হন। তিনি দশভুজা হিসেবেও পরিচিত। তিনি ১০ হাতে সব অপশক্তির কবল থেকে মানুষকে মুক্তি দেবেন এবং মানবকল্যাণে আমাদের সব ধরনের অগ্রযাত্রা প্রতিষ্ঠিত হবে- এ কামনা ও বাসনা নিয়েই এ বছর মাকে বরণ করে নেবে দেশের সব ভক্ত। পঞ্জিকা মতে, এ বছর মা দুর্গা নৌকাযোগে আসবেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ঘোটকে চরে স্বর্গলোকে ফিরে যাবেন। মায়ের এ আর্বিভাব সনাতন ধর্মবিশ্বাসে ‘শস্যবৃদ্ধিস্থাজলম’। অর্থ হলো- অতিবৃষ্টি, বন্যা, জলোচ্ছ্বাসে একদিকে প্লাবিত হবে অন্যদিকে বাড়বে শস্য। তাই মার কাছে সব ভক্তের বিশেষ প্রার্থনা, সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশের মানুষকে যেন রক্ষা করেন। মা দুর্গার চরণে আরও প্রার্থনা, সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ-সাম্প্রদায়িকতা নির্মূল করে বাংলাদেশ যেন ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করে। ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যবিত্তের বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিয়ে ২০৪১ সালে যেন বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হবে। যত বাধাবিপত্তি আসুক, মা দুর্গা অবশ্যই ভক্তদের প্রার্থনা শুনবেন- এটাই কাম্য।
লেখক : উপদেষ্টা সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান।
সর্বশেষ আপডেট ( সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০১৭ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.
 
  

 DETAILS 

 

 Details

Details 

Details 

 Click here for details

 

 Details 

  Details

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

বাচিক শিল্পী কাজী আরিফের সাথে একটি অনন্য সন্ধ্যা


আমেরিকাতে এখন গ্রীষ্মের শেষ লগ্ন। হেমন্তের (ফল)এর আগমনীর প্রাক্কালে সেদিনের অপরাহ্নটি ছিল সিগ্ধ শ্যামল। গত ১১ই সেপ্টেম্বরের  এমনি এক সোনালী রোদেলা বিকেলে
ভার্জিনিয়া রাজ্যের  স্টারলিংস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল দেশ বরণ্য আবৃত্তি শিল্পী কাজী আরিফের আবৃত্তি সন্ধ্যা।

বিস্তারিত ...
 

২রা এপ্রিল শংকর চক্রবর্তীর মনোজ্ঞ সংগীত সন্ধ্যা


আগামী ২রা এপ্রিল  রবিবার  বিকেল চারটায় ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডস্থ কমফোর্ট ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে  বরণ্য  নজরুল গীতি, গজল এবং হারানো দিনের আধুনিক বাংলা গানের গুনী  শিল্পী  শংকর চক্রবর্তীর একক  সংগীতানুষ্ঠান। সঙ্গত আর সংগীতের অসাধারণ ঐকতানে শংকর চক্রবর্তীর এই মনোজ্ঞ সংগীতের আসরটি  বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবে সাজানো হচ্ছে। দর্শক শ্রোতারা দারুন ভাবে উপভোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

Why do you visit News-Bangla
 
 
Free Joomla Templates