News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

২০ জুলাই ২০১৭, বৃহস্পতিবার      
মূলপাতা
ভালবাসার ছোঁয়ায় ভার্জিনিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “হৃদয়বীণা” প্রিন্ট কর
এ্যন্থনী পিউস গোমেজ, ভার্জিনিয়া   
মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

 গত ৭ই মে, ২০১৭, রোজ রবিবার সন্ধ্যায় ভার্জিনিয়ার ন্যানী জে, লি রিক্রিয়েশন সেন্টার মিলনায়তনে “হৃদয়বীণা”র আয়োজনে অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ চেতনায় নজরুল” অনুষ্ঠানটি। সৃজনশীল অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, ওয়াশিংটনের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের বিশিষ্ট শিল্পীদের সম্পৃক্ততায় অত্যন্ত চমৎকার, অনুপম পরিবেশনায় মূর্ত হয়ে উঠেছিল মিলনায়তন প্রাঙ্গন।  এটি ছিল ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকার সবার পরিচিত ডঃ সোমা বোস এবং শিল্পী রুমা ভৌমিকের উদ্যোগ এবং আয়োজনে “হৃদয়বীণা”র আত্মপ্রকাশ এবং “No Kid Hungry” campaign-এর সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে দুঃস্থ্য শিশু-কিশোরদের সাহায্যার্থে একটি বিশেষ আয়োজন। “হৃদয়বীণা” আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটির নান্দনিক পরিবেশনা সবার ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে, হয়েছে দর্শকনন্দিত।


ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় “হৃদয়বীণা”র এই প্রথম এবং ভিন্নধর্মী আয়োজনে যে নতুন মাত্রাটি যোগ পেয়েছে, তাহল- “সংস্কৃতির মাধ্যমে মানব সেবা”। আয়োজনটি ওয়াশিংটনে বছর জুড়ে আয়োজিত অন্যান্য অনুষ্ঠান থেকে ছিল আলাদা, ভিন্ন আঙ্গিকের। “হৃদয়বীণা”র এই প্রয়াস ছিল মুলতঃ মানবতার সেবায় শিশুকল্যান কাজে মানবিক স্বপ্ন নিয়ে ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দেয়া। এইসব দুঃস্থ্য শিশু-কিশোরদের জন্য অন্তরের মমতা নিয়ে ডঃ সোমা বোস এবং শিল্পী রুমা ভৌমিক এগিয়ে এসেছেন সাধ্যানুসারে সাহায্য করার জন্য, তারা জাগিয়ে তোলার চেষ্ঠা করছেন সমাজের বিবেকবান মানুষদের, সমাজের সাধারণ এবং স্বচ্ছল মানুষদের সাথে নিয়ে এমনি মানব কল্যান কাজে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে। উল্লেখ্য ওয়াশিংটনের আদি সংগঠন বিসিসিডিআই এই উদ্যোগে একাত্মতা ঘোষণা করে দুঃস্থ্য শিশু-কিশোরদের জন্য খাদ্য সংগ্রহ করে এই প্রয়াসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং আয়োজকদের একজন, রুমা ভৌমিক সংগৃহীত এইসব খাবার (১৭৭ পাউন্ড টিনজাত খাবার) ওয়াশিংটনে ফুড ব্যাংকে পৌছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশনা ছিল অত্যন্ত চমৎকার এবং সবার অংশগ্রহন ছিল খুবই স্বতঃস্ফূর্ত। একটি মহৎ, মানব সেবামূলক কাজে অংশ নেয়ার আনন্দে সবাই ছিল অনুপ্রানিত, প্রশান্তির ছোঁয়ায় আপ্লুত। সবার মাঝে এই উৎসাহ উদ্দীপনা দেখে মনে হয়েছে- ব্যস্ত জীবনের যাঁতাকলে, ব্যক্তিকেন্দ্রীক জীবনধারায় সমাজের সকল মানুষগুলোর অনুভূতি এখনো বিলীন হয়ে যায়নি, এখনো মহৎ কাজে সবাই না হলেও মানবতাবাদী মননশীল মানুষগুলো এগিয়ে আসতে পারে ভালবাসার হাত বাড়িয়ে।

শিল্পী এবং শিল্পের মেলবন্ধনে মানবতার জন্য ভালবাসা ছড়িয়ে দেয়ার এ প্রয়াসের আয়োজকদ্বয়, দুই বোন- ডঃ সোমা বোস এবং শিল্পী রুমা ভৌমিককে অভিনন্দন ও আন্তরিক ধন্যবাদ এমনি শিশুকল্যান প্রয়াস হাতে নেয়ার জন্য। যাদের সৃষ্টিকে ঘিরে সেজে উঠেছিল সন্ধ্যার আয়োজন, তারা হলেন বাংলা সাহিত্যের দুই মহান দিকপাল- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তীকে সামনে রেখে। তাঁদের মন ছোঁয়া সৃষ্টিসম্ভারের পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়েছিল শ্রোতাদর্শকবৃন্দ, সার্থক হয়ে উঠেছিল “হৃদয়বীণা” আয়োজিত সেদিনের অনুষ্ঠানমালা- নন্দনপিপাসু শ্রোতাদর্শকদের মন কানায় কানায় ভরে গিয়েছিল এই নান্দনিক পরিবেশনায়।আয়োজিত অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেনঃ এ্যন্থনী পিউস গমেজ এবং সাবরিনা চৌধুরী ডোনা।


অনুষ্ঠানের শুভারম্ভে ভারতীয় শিল্পী ভুপেন হাজারিকার গাওয়া জনপ্রিয় গান- “সবার হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ চেতনাতে নজরুল” গানটির সাথে চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে এক অনিন্দ্য সুন্দর পরিবেশনার আবহ সৃষ্টি করেন রোজমেরী মিতু গনসালভেস, ক্রিস্টিন রোজারিও, স্ট্যাফেনী রোজারিও, আশফিয়া রহমান, ইভানা রহমান, ক্যাথরীন রড্রিগেজ, পুস্পিতা বড়ুয়া এবং অনিমা বড়ুয়া। কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন “সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গন”-এর পরিচালক, জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার রোজমেরী মিতু গনসালভেস এবং মঞ্চে গানটি পরিবেশন করেন ওয়াশিংটনের সবার পরিচিত, জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বিপ্লব দত্ত।

এর পর পরই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া জনপ্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীত- “আনন্দধারা বহিছে ভুবনে” গানটির সাথে নৃত্যশৈলীর ঝংকারে কেপে উঠে মঞ্চের সীমানা, নৃত্য পরিবেশন করেন মেরীল্যান্ডের “তা থৈ ড্যান্স গ্রুপ”-এর অরুনিমা ঘোষ এবং পরমা স্যান্যাল। কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন অরুনিমা ঘোষ। উদ্বোধনী পর্বে প্রারম্ভিক অনুষ্ঠানের তৃতীয় নৃত্যটি পরিবেশিত হয় জনপ্রিয় নজরুলগীতি “প্রথম প্রদীপ জ্বালো” গানটির সাথে। চমৎকার এই নৃত্যের পরিবেশনা এবং কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন ওয়াশিংটনের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিভাময়ী শিল্পী সঞ্চিতা চ্যাটার্জি।

অতঃপর আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার পরিবেশনার রেশ ধরে চলতে থাকে “হৃদয়বীণা” আয়োজনের বাকী অংশঃ  এপর্বে ছিল প্রবাসের বেড়ে উঠা তরুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের পরিবেশনা-“মোরা ঝঞ্জার মত উজ্জ্বল”। “মঞ্জুরী নৃত্যালয়”-এর ছাত্র-ছাত্রী পিটার এবং মনীষার নজরুল গীতির সাথে নৃ্ত্য পরিবেশনা ছিল অনবদ্য। নৃত্যের কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন শিল্পী গ্লোরিয়া রোজারিও। এছাড়া নজরুলের লেখা ছোটদের প্রিয় কবিতা “লিচু চোর”-এ পরিবেশন করে নোরা সবাইকে চমৎকৃত করে দেয়। আর আবজিনির সুললিত কন্ঠে গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীত- “হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে” সব শ্রোতা-দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অজস্র গানের ভেতর থেকে তুলে আনা বিশেষ কিছু গানের ডালি নিয়ে সাজানো ছিল- “গান কন্ঠে নিলেম”। এটি মূলতঃ শুধু রবীন্দ্রনাথের বিশেষ কিছু গানের সমাহারই ছিল না, এপর্বের বিশেষত্ব ছিল রবীন্দ্রনাথের রচিত এসব গান কখন, কোথায়, কোন পরিবেশে তিনি রচনা করেছিলেন… তার একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাসভিত্তিক প্রতিফলন। অংশগ্রহনে- মধুমিতা মৈত্র, মনিষা মন্ডল এবং নাসিম সুলতান। তবলায় ছিলেন- হিমু রোজারিও, মন্দিরায়- প্রিয়লাল কর্মকার, বাঁশীতে- মোহাম্মদ মজিদ। ধারা বর্ণনায় ছিলেন- সোমা বোস এবং সুব্রত ধর।

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আগুনঝরা “বিদ্রোহী” কবিতার আবৃত্তির সাথে নৃত্যের যুগলবন্দী। আবৃত্তি শিল্পী ছিলেন অরিন্দম ঘোষ এবং সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন “তা থৈ ড্যান্স গ্রুপ”-এর অনিকা, অনুশা, অর্না, দেবিকা এবং ঐশী। কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন অরুনিমা ঘোষ।

নজরুলের রাগভিত্তিক গানের এক চমৎকার পরিবেশনা ছিল “রাগরাগিনী’র মায়াজাল”।  অংশগ্রহনে- ডঃ সামিয়া মাহবুব আহমেদ, তসলিম হাসান, সরবরী গঙ্গোপাধ্যায় এবং সুরঞ্জন দত্ত। গ্রন্থনা এবং পাঠঃ জনাব আনিস আহমেদ, তবলায়- চিত্ত নস্কর, মন্দিরায়-প্রিয়লাল কর্মকার, বাঁশীতে- মোহাম্মদ মজিদ এবং ভায়োলিনে হিন্দোলা।

নজরুলের ধর্মীয় গানের সমাহারে পরিবেশিত হয় “একটি বৃন্তে দু’টি কুসুম”। অংশগ্রহনে ছিলেনঃ নাসের চৌধুরী, দেবশ্রী মিত্র, ক্লেমেন্ট এস গমেজ। তবলায় চিত্ত নস্কর এবং ভায়োলিনে ছিলেন দিব্য বড়ুয়া।নজরুলের জাগরনী গান নিয়ে একটি চমৎকার পরিবেশনা ছিল- উচ্চ যেথা শীর, জ্ঞান যেথা মুক্ত।
অংশগ্রহনঃ ক্লেমেন্ট গমেজ, কৃষ্ণা দত্ত, নাসের চৌধুরী, সরোজ বড়ুয়া, শাহিদা আবেদীন,শম্পা বনিক, শিমুল ঘোষ, এস,কে মিলন মওলা এবং রুমানা সুমী। তবলায় ছিলেন- হিমু রোজারিও, অক্টোপ্যাডে- এ,আর,স্বপন, এ্যকর্ডিয়ান- আবু রুমী, মন্দিরা- সরোজ বড়ুয়া এবং গ্রন্থনা ও পাঠ-আনিস আহমেদ।

রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুলের প্রেমের গান দিয়ে সাজানো একটি চমৎকার পরিবেশনা- “এতো ভালবাসি, এতো যারে চাই”। অংশগ্রহনেঃ কুমকুম বাগচী, ফয়সল কাদের, বিপ্লব দত্ত এবং রুমা ভৌমিক। চমৎকার পরিবেশনায় মুগ্ধ ছিল শ্রোতাদর্শকবৃন্দ।

নজরুলের প্রথম প্রেম নার্গিসকে লেখা প্রথম এবং শেষ চিঠির না বলা কথার মালা গেঁথে এবারের পরিবেশনা ছিল “না-লেখা চিঠি”। পরিবেশনায় “তা থৈ ড্যান্স গ্রুপ”, পর্ব পরিকল্পনা এবং গ্রন্থনায় ছিলেন- পরমা স্যান্যাল, নৃ্ত্য পরিচালনায়- অরুনিমা ঘোষ। নৃত্যে এবং অভিনয়ে অংশগ্রহন করেনঃ
অরুনিমা ঘোষ, কামনাশীষ চক্রবর্তী, মিতা পাল, পরমা স্যান্যাল, রোজমেরী মিতু গনসালভেস, রুপা মুখার্জী, শিবানী দত্ত, সুদেষ্ণা মন্ডল এবং তুলিকা নারায়ণ।


রবীন্দ্রনাথের “অভিসার” কবিতা অবলম্বনে সাজানো হয়েছিল নৃত্য-নাট্যের এপর্বটি। নান্দনিক পরিবেশনায় ভীষণ মুগ্ধ হয়েছে শ্রোতাদর্শকবৃন্দ। আবৃত্তি করেন মহাশ্বেতা ভট্টাচার্য্য। এ পর্বের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও নৃত্যের কোরিওগ্রাফীতে ছিলেন সোমা বোস, সহযোগী কোরিওগ্রাফার- সবার পরিচিত ওয়াশিংটনের তরুন প্রজন্মের অন্যতম প্রতিভাময়ী নৃত্যশিল্পী প্রিয়ংকা বোস। নৃত্য-নাট্যে সন্যাসী উপগুপ্তের ভূমিকায় ছিলেন সঞ্জয় গোস্বামী এবং বাসবদত্তার ভূমিকায় প্রিয়ংকা বোস। এছাড়া সহযোগী নৃত্যশিল্পীরা ছিলেন- অদৃতা জাহাঙ্গীর, অনিলা এ্যনি বড়ুয়া, এ্যঞ্জেলিকা গমেজ, অতসী বড়ুয়া, সুসান বড়ুয়া, রণিতা চৌধুরী এবং তাসনুভা আবেদিন।

অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে ছিল চিত্রশিল্পী এবং সঙ্গীতশিল্পী সুরঞ্জন দত্তের আঁকা রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুলের নতুন দু’টি ছবির অকশন। চিত্র দু’টি তিনি “হৃদয়বীণা”র মহতী উদ্যোগে সহভাগিতা করার জন্য দান করেছেন, সংগৃহীত অর্থ দুঃস্থ্য শিশুদের জন্য দান করা হবে। এটি ছিল সুরঞ্জন দত্তের পক্ষ থেকে “হৃদয়বীণা”র মাধ্যমে ঐসব শিশু-কিশোরদের প্রতি তার ভালবাসার দান।অনুষ্ঠানটিতে শব্দনিয়ন্ত্রনে ছিলেন রবিউল ইসলাম শিশির, আলোক সম্পাত- প্রান্তিক বিশ্বাস এবং ভিডিওগ্রাফীতে- “থ্রী স্টার মাল্টিমিডিয়া” এবং অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার ছিল “মোমেন্টস ফটোগ্রাফী”।

যাদের অকুন্ঠ সহযোগিতায় “হৃদয়বীণা”র এই আয়োজন সম্ভব এবং সফল হয়েছে, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ডঃ সোমা বোস এবং রুমা ভৌমিক। যাদের কাছে তারা কৃতজ্ঞঃসুদীপ বোস, আবু হক, প্রানেশ হালদার, ডনিটা চিকুয়েন্ডি, জুলিয়া উইলস, শ্যামল ভৌমিক, ড্যান কোভ্যাক্স, মিঃ বাণীব্রত এবং রমা ঘোষ, কৃষ্ণা দত্ত, রাশীক ইসরাক চৌধুরী, রুমানা সুমী, লাকী বড়ুয়া, আদিত্য বড়ুয়া, উজ্জ্বল বড়ুয়া, তৃপ্তি তালপত্রে, তৃষ্ণা তালপত্রে, শামীম চৌধুরী, নিভা বড়ুয়া, জয়ীতা দাসগুপ্ত, শাহিদা আবেদীন, সাবরিনা শর্মী রহমান, প্রিয়ংকা, উৎস, দীপ এবং সৃজন। এছাড়া বিশেষ সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন “মোমেন্টস ফটোগ্রাফী”কে (রাজীব বড়ুয়া, এ্যন্থনী পিউস গমেজ, বিপ্লব দত্ত এবং শাওন রহমান)। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অসীম বড়ুয়াকে অনুষ্ঠানের ফ্লায়ার তৈরীসহ প্রচারণায় সাহায্য করার জন্য।

বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিসিসিডিআই বাংলা স্কুলকে তাদের ফুড ড্রাইভ দিয়ে “No Kid Hungry” campaign-এর শিশু-কিশোরদের জন্য টিনজাত খাদ্য সংগ্রহ করার জন্য। অতঃপর “হৃদয়বীণা”র পক্ষে থেকে ডঃ সোমা বোস এবং রুমা ভৌমিক সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সবাইকে ধন্যবাদ ও বিদায় জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টেনে বিদায় গ্রহন করেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালকদ্বয়- এ্যন্থনী পিউস গমেজ এবং সাবরিনা চৌধুরী ডোনা।

“হৃদয়বীণা”র আত্মপ্রকাশ এবং প্রথম পরিবেশনা, একটি বিশেষ নান্দনিক আয়োজন, সহভাগিতার ছোঁয়ায় মনের গভীরে আত্মতৃপ্তির বোধ, ভাগ্যহীন শিশুদের জন্য সবাইকে সাথে নিয়ে একটি কল্যান প্রকল্পে সহভাগী হওয়ার নির্মল আনন্দ, ব্যস্ত জীবনধারার মাঝে একটা ভাল কাজ করার প্রশান্তি- সবকিছু মিলিয়ে একটি সুন্দর, স্বার্থক সন্ধ্যার স্মৃতি মনের গভীরে বারংবার নাড়া দিতে থাকলো…। ক্ষান্ত হল সব আয়োজন, আপন ভুবনে ফিরে গেল আগত শিল্পী এবং শ্রোতা-দর্শকবৃন্দ, আলোকিত মিলনায়ত নেমে এলো গভীর অন্ধকার। গম গম আওয়াজ তুলে যে মিলনায়তনে সারা বিকেল আর সন্ধ্যা জুড়ে চলছিল পরিবেশনার ঝংকার- সেখানে নেমে এলো নিঃস্তব্ধতা, শত মানুষের মিলনে কোলাহল আর আলাপচারিতার প্রানপ্রাচুর্য্যে ভরা শব্দেরা আশ্রয় নিয়েছে নিঃশব্দের কোলে। অডিটোরিয়াম থেকে বেড়িয়ে যেতে যেতে মনে ভেসে উঠল পুরো সন্ধ্যার ছায়াচিত্র- নৃ্ত্য, সঙ্গীত আর গীতি আলেখ্যের অনবদ্য পরিবেশনা। কানে তখনো বিপ্লব দত্তের দরাজ সুরেলা কন্ঠে গাওয়া গানটির সুরের
সর্বশেষ আপডেট ( মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

পাঠক পছন্দ

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.
 
  

 DETAILS 

 

 Details

Details 

Details 

 Click here for details

 

 Details 

  Details

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

বাচিক শিল্পী কাজী আরিফের সাথে একটি অনন্য সন্ধ্যা


আমেরিকাতে এখন গ্রীষ্মের শেষ লগ্ন। হেমন্তের (ফল)এর আগমনীর প্রাক্কালে সেদিনের অপরাহ্নটি ছিল সিগ্ধ শ্যামল। গত ১১ই সেপ্টেম্বরের  এমনি এক সোনালী রোদেলা বিকেলে
ভার্জিনিয়া রাজ্যের  স্টারলিংস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল দেশ বরণ্য আবৃত্তি শিল্পী কাজী আরিফের আবৃত্তি সন্ধ্যা।

বিস্তারিত ...
 

২রা এপ্রিল শংকর চক্রবর্তীর মনোজ্ঞ সংগীত সন্ধ্যা


আগামী ২রা এপ্রিল  রবিবার  বিকেল চারটায় ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডস্থ কমফোর্ট ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে  বরণ্য  নজরুল গীতি, গজল এবং হারানো দিনের আধুনিক বাংলা গানের গুনী  শিল্পী  শংকর চক্রবর্তীর একক  সংগীতানুষ্ঠান। সঙ্গত আর সংগীতের অসাধারণ ঐকতানে শংকর চক্রবর্তীর এই মনোজ্ঞ সংগীতের আসরটি  বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবে সাজানো হচ্ছে। দর্শক শ্রোতারা দারুন ভাবে উপভোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events
< জুলাই ২০১৭ >
বু বৃ শু
২৬ ২৭ ২৮ ২৯ ৩০
১০ ১১ ১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬
১৭ ১৮ ১৯ ২০ ২১ ২২ ২৩
২৪ ২৫ ২৬ ২৭ ২৮ ২৯ ৩০
৩১

মতামত জরিপ

Why do you visit News-Bangla
 
 
Free Joomla Templates