News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

২৯ জুন ২০১৭, বৃহস্পতিবার      
মূলপাতা
ডায়েরির পাতা - পচিশে মার্চ প্রিন্ট কর
শাহ হাবিবুর রহমান, সিপিএ   
বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭

আজ  বৃহসপতিবার পচিশে মার্চ ১৯৭১। অন্যান্য দিনের মত আজ  সকালেও একটু দেরিতেই উঠলাম। নাস্তা খাবার সময়েই শুনলাম আমার মামাত ভাই জাহাংগীর  আকন্দকে পাকিস্তানি মিলিটারীরা চট্টগ্রাম ক্যান্টেনমেন্টে  মেরে ফেলেছে গত পরশু।  জাহাংগীর  ভাই ইঞ্জিনীয়ারিং কোরের ক্যাপ্টেন ছিলেন। ছয় সাত মাস আগে বিয়ে করেছেন। খবরটা শুনে মনে একটা বড় আঘাত লাগল। কি সুন্দর চেহারা  ছিল ভাই এর।  ওর দোষ হয়তো একটাই ছিল। আমার বড় মামা মানে ওর আব্বা ছিলেন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য। এ ছাড়া আমার খালাত ভাইও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেল। চলে গেলাম কাঠাল বাগান এক বোনের বাসায় মামাকে ফোন করতে। কিন্তু ময়মনসিংহে   লাইন পাওয়া গেল না। ঢাকায় বসবাসরত সব ভাই বোনরা কাঠালবাগান চলে এল খবরটা শুনে। অনেক চেস্টা করেও মামা বা মামীর সাথে যোগাযোগ করা গেল না। সবার  মন খুব খারাপ। দুপুর গড়াতেই আমি চলে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায়। গেলাম মহসিন হলে আমার কক্ষে। দুএকজনের সাথে দেখা হল। হল মোটামুটি  ফাঁকা। সোজা চলে এলাম আমার কক্ষে। চার তলায় কেউ নাই। সবাই চলে গিয়েছে। আমিও মার্চ এর প্রথমেই হল ছেড়েছি এবং তখন থেকেই ভাই এর বাসায় কলাবাগানে থাকি। কিছুক্ষন হলে থেকে বাসায় ফিরে এলাম।

বিকেল হতেই প্রতিদিনের মত আজও আশরাফ ভাই এর চা এর দোকানে চলে এলাম। দাউদ, বুলবুল, মাসুম, ফিরোজ, কাওছার সবাই এসেছে। চা এর পালা শেষ করে সবাই যথারীতি ৩২ নাম্বার বাড়ীর এর সামনে এলাম।
 গেটে এসেই একটা ধাক্কা খেলাম। আজ গেট বন্ধ। কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা। কোনদিন আমাদের কাউকে গেটে আটকায়না। সোজা চলে যেতাম বাড়ীর ভিতরে। আমরা একটু এগিয়ে গিয়ে লেকের পাড়ে সবাই বসলাম। আমি বললাম, আজ একটু অন্য রকম মনে হচ্ছে। কেমন যেন অন্য রকম । যারা ৩২ নান্নারে ঢুকছে তারা যেন বেশ চিন্িতত। একটু তাড়াহুরা। কেউ আসছে আর চলে যাচ্ছে। সবাইকে  একটু বেশী ব্যস্ত মনে হচেছ। সৈয়দ নজরুল এবং তাজুদ্দিন সাহেবকে দেখলাম একসময় ভিতরে যেতে। আরও অনেক নেতা  আসলেন। কাউকে দেখলাম তাড়াতাড়ি চলে যেতে। পরিবেশটা আজ একেবারে অন্যরকম। সবাই যেন একটু চিন্িতত। আমরা কজন আডডা দিচিছ। দেশের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করছি।

হঠাৎ আডডায় খবর পেলাম ইয়াহিয়া খান আলোচনা ভেঙ্গে রাওয়ালপিন্ডি ফিরে গেছে। একটু আগে দেখেছিলাম পি আই এ এর একটি বিমান উড়ে যেতে। এখন ভাবলাম ইয়াহিয়া খান ওই বিমানেই চলে গিয়েছে।
আমরা একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম । এবার কি হবে। তা হলে  কি  মিলিটারী আক্রমন অত্যাসন্ন ? আমার সকালে ভাই এর মৃত্যুর খবরটি মনে হল। দুই দিন আগে ২৩ তারিখে ভাই কে মেরে ফেলেছে।
গত শুক্রবার  আমি যখন ময়মনসিংহ থেকে ট্রেনে ঢাকা আসি সেদিন ট্রেন সরাসরি ঢাকা আসতে পারেনি। ভৈরব এবং টঙ্গি হয়ে  ঢাকা আসি। কারণ জয়দেবপুর এ পাকিস্তানি মিলিটারীর সাথে বাঙ্গালি সৈন্যদের সাথে
 তুমুল যুদ্ধ বেধে যায়। পরের দিন খরের কাগজে এ ব্যপারে খবরও বের হয়। শুনেছি নিলফামারিতেও ২৩ তারিখে পাকিস্তানী ও বিহারীরা বাঙ্গালীদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। এক সময় শুনেছিলাম  ভুট্টূ
 সাহেব বলেছিল শুধু ২০০০০ বাঙ্গালিকে মেরে ফেললে পুর্ব পাকিস্তান ঠিক হয়ে যাবে। তাহলে কি ভুট্টুর পরিকল্পনা কার্যকর হতে যাচ্ছে ? গত দুই সপ্তাহের আলোচনা কি তাহলে প্রহসন?  এরা শুধু সময় নষ্ট
 করেছে গোলটেবিল বৈঠকের নামে। একদিকে আলোচনা আর অন্যদিকে চলছে সারা দেশে সৈন্য মোতায়েন । এসব সৈন্য মোতায়েন সবার চোখের সামনেই হয়েছে। প্রতিদিন প্লেন ভর্তি সৈন্য এবং জাহাজ ভর্তি
গোলাবারুদ খালাস হয়েছে। এসব সবার সামনেই হয়েছে। খবরের কাগজে  ছবি সহ খবর ও এসেছে। আমাদের যারা গোলটেবিল বসেছিলেন তারা কি একবারের জন্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে এ সৈন্য মোতায়েন কোন
 উদ্যেশ্যে হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে। এদের পরিকল্পনা মার্চ এর প্রথম থেকেই শুরু হয়েছে। প্রথমেই জেনারেল সাহেবজাদা ইয়াকুব খানকে গভর্নর এবং জেনারেল ফজল মুকিম খানকে জিওসি থেকে সরিয়ে দিয়ে
জেনারেল টিক্কা খান এবং জেনারেল নিয়াজিকে পরিবর্তন করা হল হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্যে। আর আলোচনার নামে নাটক তৈরী করা হল। আমরা এসব নাটক  বুঝলাম না। তবে কারও বোঝা উচিৎ ছিল।
এখন মনে হচ্ছে হত্যাযজ্ঞ অত্যাসন্ন এবং সময়ের ব্যাপার। জানিনা ৩২ নম্বার এ কি হচ্ছে। ঢুকতে পারলে হয়ত বুঝতে পারতাম। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়েছে । সবাই যেন কেমন  অস্থির। অনেকেই আসছেন আবার
তাড়াতাড়ি চলেও যাচেছন। আমাদের সবার মনে একটি অনিশ্চয়তা। কিন্তু আমার স্থির বিশ্বাস আজ রাতেই মিলিটারী একশান হচ্ছে। রাত তখন সাড়ে দশটা। আমরা বাসায় ফিরে যাচ্ছি। মিরপুর রোড পার হবার সময়
 বাম দিকে দেখলাম কেউ রাস্তা বেরিকেড দিয়ে রেখেছে। আমরাও একে একে যার যার বাসায় চলে গেলাম।

ঘরে ঢুকতেই ভাই জিজ্ঞেস করলেন, খবর কি। আমি বললাম, ভাল না মনে হয় মিলিটারী নামছে আজ রাতেই। ভাবি টেবিলে খাবার দেখিয়ে বললেন খেয়ে নিতে। আমি হাত মুখ ধুয়ে টেবিলে  খেতে বসলাম।
অর্ধেক খাবার শেষ না হতেই প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজ। একি আওয়াজ।  কামান আর মেশিনগান। হাত ধুয়ে বাইরে এসে দেখলাম আকাশ আলোয় ভর্তি। রাত যেন দিন হয়ে গিয়েছে। আর চতুর্দিক থেকে
গোলার আওয়াজ আসছে। মনে হচ্ছে এক দল গোলাগুলি করে এগিয়ে যাচ্ছে অন্য আর এক দল পেছন থেকে এগুচ্ছে। ট্যাঙ্ক চলাচলের শব্দও পাওয়া যাচ্ছে। চারদিক যেন দিনের আলো। বিরামহিন ভাবে গোলাগুলি চলছে। একি এক পক্ষ না দুই পক্ষ বোঝার কোন উপায় নাই। এর মধ্যে রেডিওতে শেখ মুজিব ও ডঃ কামাল হোসেন এর গ্রেফতার করে করাচি নিয়ে যাবার খবর প্রচারিত করা হল।এছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্যে কারফিউ জারী করা হলো । ঘন্টা খানেক পর আমাদের বাসার উলটো দিক থেকে দিলিপদা দৌড়ে আমাদের বাসায় এসে আমাকে খুজছেন। দিলিপ বাবু অষ্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনে কাজ করেন। তিনি আবার আমাদের পাশের বাসার দেবু দার শ্যালক। দেবু দা  - দেবিনাশ সাংমা পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের খেলোওয়ার ছিলেন। দেবুদাকে আগে থেকেই চ্নিতাম  ময়মনসিংহের খেলোয়ার হিসাবে । দিলিপদা আমাকে তার বাসায় একেবারে জোর করেই নিয়ে গেলেন । তিনি বললেন পাকিস্তানিদের টারগেট যুবক এবং বিশ্বাবিদ্যালয় ছাত্রদের উপর। আমিও তার সাথে তার বাসায় চলে গেলাম রাত্রি যাপন এর জন্যে।

মেশিন গান ও কামান এর গোলা সারারাত ধরে চলল।  বাইরে গোলাগুলি চলতেই থাকল। আমি দিলিপদার  একটি কোনার ঘরে থাকলাম। ভোর হবার আগেই দিলিপ দা একটি সাদা কাগজে তিনি যে
অষ্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের কর্মচারি তা লিখে গেট এর সামনে  রাখলেন। সকালের দিকে গোলার আওয়াজ কিছুটা কমল। তবে কারফিউ গত রাত থেকে বলবৎ আছে। বিকাল চারটার দিকে আকাশবাণী
 থেকে স্বাধীনতার কথা ঘোষনা করা হল। মেজর জিয়ার কন্ঠে বংগবন্ধুর পক্ষে   স্বাধীনতার ঘোষনা প্রচার করা হল। মাঝে মাঝে ভারি যান এর আওয়াজ গ্রীন রোড থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
সারা দিন এভাবেই গেল। সন্ধ্যার দিকে অন্ধকার নামতেই আবার গোলাগুলি শুরু হল। অবিরত মেশিন গান এর  গুলি। সারা রাত থেমে থেমে গোলাগুলি চলল। আমি দিলিপদার বাসা থেকে আমাদের বাসায় চলে এলাম।
 রাতে গত রাতের চেয়ে গোলাগুলি কিছুটা কমল। রাতে ঘোষনা করা হল আগামি কাল সকাল ৯টা থেকে কারফিউ দুপুর ১২ পর্র্যন্ত শিথিল করা হবে।

পরের দিন শনিবার। সকাল হতেই নাস্তা খেয়ে সাড়ে আটটার দিকে বেড়িয়ে পড়লাম। বড় ভাই বাইরে যেতে না করলেন এবং সাবধান থাকতে বললেন। এদিক সেদিক তাকিয়ে আস্তে আস্তে এগুতে থাকলাম। দুই একটা রিক্সা বেরিয়েছে। আমি বশিরুদ্দিন রোড ধরে আস্তে আস্তে আগালাম। আশে পাশে কোন মিলিটারি দেখলাম না। দোকান পাঠ সব বন্ধ। বিশ পচিশ মিনিটের মধে মিরপুর রোড এ চলে এলাম। আশে পাশে ততক্ষনে অনেক লোক এসেছে। রাস্তায় রিকশা চলাচল শুরু হয়েছে। কয়েকটা মিলিটারি কনভয় আমাদের সামনেই পার হয়ে গেল। এতিমধ্যেই বন্ধু ফিরোজ ও দাউদ কে দেখলাম । সবার মুখেই অনিশ্চয়তা। তিনজনে ঠিক করলাম বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় যাব। তিনজনের জন্যে একটি রিক্সা নিলাম। রিকশাওয়ালা বলাকা সিনেমার বেশি যেতে রাজি হল না। তিন জনের জন্যে পুরো এক টাকা দিয়েই যাত্রা শুরু করলাম। যাবার পথে বেশ কয়েকটি মিলিটারির গাড়ী দেখলাম। সবগুলো থেকেই মেশিন গান তাক করা। বলাকা সিনেমার সামনে রিকশা থেকে নেমে পড়লাম। ভাড়া মিটিয়ে নিলক্ষেত রোডে বা দিকে মোড় নিতেই একটি লাশ দেখে থেমে দাড়ালাম। ওখানের সবগুলো লেপতোষকের দোকান সব বন্ধ। লাশটি থেকে গন্ধ বের হচ্ছে। অনেক মাছিও ভর করেছে। একটু এগুলাম। ডান দিকে রাস্তার ওপারে আর একটি লাশ। ওটার সামনে আরও একটি। আমরা এগুলাম। একটি দোকানের ঝাপ এর উপর প্রচুর রক্ত। আর একটু এগুতেই একটি রিকশা দেখলাম। সামনে গিয়ে দেখলাম তিনটি লাশ। একটি রিক্সার পাটাতন থেকে মাটিতে ঝুলে আছে। আর একটি মাটিতে পর আছে। বেচারী রিকশাওয়ালার  লাশ তখনও রিক্সার হেন্ডেল উপর ঝুলে আছে। চতুর্দিক থেকে লাশ এর গন্ধ আসছে। মুখে রুমাল দিয়ে এগুতে থাকলাম। রেল লাইন পার হয়ে মহসিন হল এর দিকে এগুলাম আমার রুম এর উদ্দেশ্যে। বা  দিকে মোড় নিতেই একজন আমাদের বলল, মহসিন ও জিন্না হলে কিছুু হয় নাই তবে জগন্নাথ হলের অবস্থা খুব খারাপ। আমরা মহসিন হল এ না গিয়ে সোজা জগন্নাথ হলের দিকে ছুটলাম। হল এর চতুর্দিকে গোলার চিন্হ। ভিতরে  গিয়ে যখন পৌছলাম তখন দেখলাম যে এখানে বিরাট হত্যাযজ্ঞ হয়েছে। সব ব্জায়গায় গোলার চিন্হ। হত্যযজ্ঞ চালাতে এখানে ভারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে তা মাঠের অবস্থা দেখেই বুঝলাম। একদিকে কোনায় দুইটা লাশ তখন দেখতে পেলাম। সব জায়গায় রক্তের চিশ্হ। মনে হল মানুষ  মেরে মাটির নিচে পুতে রেখেছে। দালান এর সব জায়গায় গুলির দাগ। আমরা বেশি সময় থাকলামনা । যাবার পথে ঠিক করলাম সলিমুল্লা ও ইকবাল হল দেখে যাব । সলিমুল্লা হলেও হত্যাযজ্ঞ হয়েছে তার নমুনা দেখলাম। তবে জগন্নাথ হলের মত নয়।   গুলির চিশ্হ দেখতে পেলাম। এগুলাম ইকবাল হলের দিকে। ঘড়িতে এগারটা বেজে গেছে। এক ঘন্টার মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে। ইকবাল হলের সামনে আসতেই দেখলাম একটা বড় গোলার আঘাতে হল সামনের দালানের
 একটি অংশ  বিরাট ফোটা হয়ে রয়েছে। এদিক সেদিক কিছু রক্ত দেখলাম মনে হল এখানেও হত্যাযজ্ঞ হয়েছে। তবে লাশ চোখে পড়ল না। এবার বাসায় ফেরার পালা। সময় শেষ হয়ে আসছে। নিলক্ষেত রোড
আসাতেই রিক্সা ধরতে চেষ্টা  করলাম । কেউ রাজি হল না কলাবাগান যেতে। বলাকা সিনেমার কাছে এসে রিক্সা নিলাম । বেলা সাড়ে এগারটা পেরিয়ে চল্লিশের কাছাকাছি। রিক্সাওয়ালা তিনজনকে নিয়েই একটু জোরে
 চালাতে চেষ্টা করছিল। স্টাফ কোয়ার্টার এর কাছে আসতেই ফিরোজ নেমে পড়ল ওর বাসার কাছে। দাউদ আর আমি আর একটু সামনে গিয়ে কলাবাগান বাস স্টপে ভাড়া মিটিয়ে নেমে পড়লাম।
এদিকে কারফিউ এর সময়ও চলে এল।আমিও বাসায় পৌছে গেলাম।বাসায় আসার সময় মনে মনে একটি কথা আর পাকিস্তান নয় - পাকিস্তান শেষ।

পরের দিন রবিবার । কারফিউ সকাল ছটা থেকে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত শিথিল করা হল। আবার কলাবাগান এর বন্ধুদের সাথে দেখা হল। সবার সাথে আলাপে জানা গেল রাতে মিলিটারী ও তার দোসররা বিভিন্ন পাড়া থেকে
লোকজন ধরে নিয়ে যায়। আমি বিষয়টি নিয়ে কলাবাগানে আমার বোনের বাসায় গিয়ে দুলাভাই এর সাথে আলাপ করলাম। দুলাভাই উকিল এবং আওয়ামী লীগ এর কর্মি। তিনিও একমত। বাসায় এসে ভাইকে
বলতেই ভাই তার মামাশশুর যিনি একজন মুসলিম লীগ এর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন তার সাথে যোগাযোগ করলেন। ওদিক থেকে জবাব আসল যেন   
দুলাভাই ও আমি যেন সত্তর ঢাকা ছেড়ে চলে যাই। পরের দিন ঠিক করলাম আমরা ময়মনসিংহ চলে যাব। আপা ও তাদের তিন ছেলেকে ভাই এর বাসায় রেখে বিকাল তিনটায় বাসা ছাড়লাম।
আমরা জানিনা কিভাবে কোন পথে যাব রাত্রিটা কোাথাও থেকে সকালে আবার রওনা দেব ময়মনসিংহের পথে।  তবু এই পাকি হায়েনাদের কাছ থেকে বাচতে হবে।  
সর্বশেষ আপডেট ( বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.
 
  

 DETAILS 

 

 Details

Details 

Details 

 Click here for details

 

 Details 

  Details

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

বাচিক শিল্পী কাজী আরিফের সাথে একটি অনন্য সন্ধ্যা


আমেরিকাতে এখন গ্রীষ্মের শেষ লগ্ন। হেমন্তের (ফল)এর আগমনীর প্রাক্কালে সেদিনের অপরাহ্নটি ছিল সিগ্ধ শ্যামল। গত ১১ই সেপ্টেম্বরের  এমনি এক সোনালী রোদেলা বিকেলে
ভার্জিনিয়া রাজ্যের  স্টারলিংস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল দেশ বরণ্য আবৃত্তি শিল্পী কাজী আরিফের আবৃত্তি সন্ধ্যা।

বিস্তারিত ...
 

২রা এপ্রিল শংকর চক্রবর্তীর মনোজ্ঞ সংগীত সন্ধ্যা


আগামী ২রা এপ্রিল  রবিবার  বিকেল চারটায় ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডস্থ কমফোর্ট ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে  বরণ্য  নজরুল গীতি, গজল এবং হারানো দিনের আধুনিক বাংলা গানের গুনী  শিল্পী  শংকর চক্রবর্তীর একক  সংগীতানুষ্ঠান। সঙ্গত আর সংগীতের অসাধারণ ঐকতানে শংকর চক্রবর্তীর এই মনোজ্ঞ সংগীতের আসরটি  বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবে সাজানো হচ্ছে। দর্শক শ্রোতারা দারুন ভাবে উপভোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

Why do you visit News-Bangla
 
 
Free Joomla Templates