News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

২৩ অগাস্ট ২০১৭, বুধবার      
মূলপাতা
কোন এক গোধূলি লগণে প্রিন্ট কর
নাজমা রহমান, মেরিল্যান্ড   
সোমবার, ০৬ মার্চ ২০১৭


শেষ বিকেলের বাতাশে উড়ছে মুঠো মুঠো স্বর্ণরেণু। মাউন্ট এরি থেকে বেরিয়ে রিজ রোড হয়ে এঁকেবেঁকে অরোরা হিলসের দিকে চলে গেছে এই পথটা। প্রায় নির্জন সেই পথ ধরে ছুটছে টুকটুকে লাল চেরিফল রঙা একটি গাড়ি। কখনো চড়াই। কখনোবা উৎরাই।  

দিনের শেষে বাড়ি ফিরছি। এতক্ষণ তির্যক ভাবে একটা আলোক রশ্মি এসে চোখে বিঁধছিল। গাড়িটা ডান দিকে বাঁক নিতেই আলোটা সরে গেল। আমি সানগ্লাসটা খুলে রাখলাম। আজকের দিনটা তাকিয়ে দেখার মত। একটু অন্যরকম। অদ্ভুত সুন্দর। কোন কোন দিন ঠিক এভাবেই আসে। যেন হাওয়ায় ভেসে ভেসে। 

গাড়ীর উইন্ডশিল্ডের ওপারে আদি অন্তহীন আকাশ। সেখানে এখন নানা রঙের ঢেউ। ঢেউয়ের উচ্ছলতা ক্ষয়ে এলেই আঁধারে ঢেকে যাবে পৃথিবী। দ্রুত নিভে আসছে দিনের আলো। কে যেন আলতো হাতে চরাচর জুড়ে উড়িয়ে দিচ্ছে ফিনফিনে ধূসর রঙা মসলিন ওড়না। আমার গাড়িটাও ঢাকা পড়ে যাচ্ছে তার মিহিন আঁচলে।  ওড়নার আড়ালে ধূসর হয়ে আসছে প্রকৃতির রঙ।  
কিন্তু প্রকৃতির রঙ কি আসলেই কিছু আর বাকি আছে! কে জানে!    

সেই অক্টোবর নভেম্বরে হেমন্ত বা ফলের চোখ ধাঁধানো রঙের উৎসব শেষ হতে না হতেই ঝরে গেছে গাছের প্রতিটি পাতা। ঝরা পাতার নূপুর নিক্বণে ‘কি জানি কিসের লাগি প্রাণ করে হায় হায়’ করে কেটে গেছে ডিসেম্বরের প্রথম দিকটা।    
তারপর!
তার আর পর নেই।
আছে শুধুই হু হু শুন্যতা। পুষ্পবিহীন কানন। ফলহীন বন। লতাগুল্মহীন প্রান্তর। পত্রপল্লবহীন বৃক্ষরাজি। ধু ধু করা মাঠ। আর উতলা হাওয়ার হীম পরশে থেকে থেকে কেঁপে ওঠার পালা।
আমি চেয়ে আছি।
পলকহীন।
আমার চারিদিকে দীনহীন জীর্ণ শীর্ণ প্রকৃতি। না আছে রঙ না আছে জৌলুশ। যেন তাপসীর বেশে ধ্যানে বসেছে সে।
কিন্তু এই তাপসীর রূপইবা কম কি।
হু হু শীতের সাথে একেইত মানায়।
 
চলন্ত গাড়ির সাথে তাল মিলিয়ে ক্ষণেক্ষণে সরে যাচ্ছে পথের দু’পাশের বনবনানি। ধূসর পিঙ্গল গাছের সারি। গাছগুলি দেখলে মনে হয় যেন অনন্তকাল ধরে এরা মরে পড়ে আছে। যেন এই জনমে আর কোনদিন জাগবেনা।  লতা নেই, পাতা নেই, ঘাসগুলোও মিইয়ে মিশে গেছে মাটির সাথে।  বনের ভিতরটা এখন হু হু ফাঁকা। বাঁধাবন্ধহীন। সেই ফাঁকা পেরিয়ে বহুদূর চোখ চলে যায়।
বন পেরিয়ে ওপারের খোলা মাঠ আর আকাশটাও এতদুর থেকে চোখে পড়ে। যেন সরে গেছে সকল আড়াল।

এইটুকুর প্রয়োজন ছিল।
প্রয়োজন ছিল এই আড়ালবিহীন পৃথিবীর।
আভরণহীন বৃক্ষলতার।
এই শূন্যতাকে পূর্ণ করে দিতেইতো আকাশ ভেঙ্গে নেমে আসে তুষার  কন্যা। একজন দু’জন নয়। হাজার লক্ষ কোটি অযুত নিযুত।
কিন্তু,
শীততো প্রায় শেষ হয়ে এলো।  
কি জানি কেন তুষার কন্যারা তাদের চিরাচরিত রূপের পশরা সাজিয়ে আসেনি এবার। দু’চারদিন আলতো পরশ বুলিয়েই মিলিয়ে গেছে হাওয়ায়।    
এ কেমন অভিমান!    
আমরা মেট্রো ওয়াশিংটনবাসিরা গালে হাত দিয়ে বসে আছি। আহা! হারালো কোথায় শীতের শ্রেষ্ঠতম উপহার!
মনে পড়ে গত শীতের কথা।  
তুষার কন্যার ঐশ্বরিক রূপে মুগ্ধ বিহ্বল আমি একটা চিঠি লিখেছিলাম আমার প্রিয় স্নো ফ্লেক্স কে। সেই চিঠির কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি এখানে।      
   
প্রিয় স্নো ফ্লেক্স,
ভালবাসা নিও। আচ্ছা তুমি কি জান, আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম সেই ডিসেম্বর থেকে?
অপেক্ষা ঠিক নয় আসলে আমরা তোমার প্রতীক্ষায় ছিলাম। ভালবাসার অধীর অপেক্ষার নাম প্রতীক্ষা। শেষ পর্যন্ত তুমি এলে। কিন্তু এই তুমি কি সেই তুমি!  

এ তুমি কি করলে স্নো ফ্লেক্স!
এবার তুমি তোমার চিরাচরিত রূপে এলেনা। তুমি এলে ঝড় হয়ে। এমন এক ঝড় যা পূর্বাঞ্চলের মানুষ এর আগে কখনো দেখেনি। দেখবেইবা কি করে, গত একশত বছরেওতো তুমি এমন ভয়াল তুফান তুলে আসোনি।   

শীত এসেছে সেই কবে!
গাছগাছালির রঙতো হেমন্তেই গেছে মুছে। তরুলতায় একটি পাতাও অবশিষ্ট নেই। ন্যাড়া গাছের সারি শুকনো খটখটে ডালপালা মেলে প্রাণহীন দাঁড়িয়ে আছে। ওদের ফাঁকে ফাঁকে কিছু এভারগ্রীন গাছ অবশ্য আছে। একটুখানি মায়ার অঞ্জন চোখে পরাবে বলে।
ভুবন ভোলানো রঙের এই দেশে এখন আর কোন রঙই অবশিষ্ট নেই। শীতের উত্তরীয় উড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবী তাপস বেশে। শুধু তোমারি অপেক্ষায়। ওরা জানে তুমি আসবে। হয়তো তুষারের ফুল হয়ে। নয়তো আসমানের দরোজা খুলে অমল ধবল স্নোবলের মত ভেসে ভেসে এই ধরিত্রীর বুকে। একটি দুটি নয়, হাজার, লক্ষ, কোটি স্নোবল। শুভ্র সুন্দর শব্দহীন অহঙ্কারে।
হীম চূর্ণ গায়ে মেখে। কি কোমল কি নরম তোমার শরীর। যেন বাস্তব নও। যেন ঘুমোঘোরে দেখা কোন স্বপ্ন। টোকা দিলেই উড়ে যাবে। মিলিয়ে যাবে হাওয়ায়।    
    
তুমি ধরণীতে এসেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সবুজ ঘাসের বুকে। তৃণকুল এখনো বেঁচে আছে শুধু তোমারই পরশ তরে। তুমি এলেই ওদের ছুটি। ওরা ঘুমোবে দীর্ঘ শীত জুড়ে। তোমায় দেখে মৃতপ্রায় কঙ্কালসার গাছ গুলি বাতাসের উল্লসিত ঘূর্ণিতে খট খট করে কেঁপে উঠবে। পাইন, ফার আর হেমলক ট্রিগুলোর শীর্ণ শুষ্ক ডাল তুমি ভরে দিবে শ্বেত শুভ্র ফুলে। আলতো হাতে জড়িয়ে দিবে মুক্তোর মালা। ঝুলিয়ে দিবে মণি-মাণিক্য কাঞ্চন ঝরোকা। যেন ওরা সবাই রাজ রাজ্যেশ্বরী।  

আমরা মুগ্ধ বিস্ময়ে দেখব আকাশের শব্দহীন কারুকাজ। কি শান্ত উদার হাতে সে পাঠাচ্ছে তুষার পালক। একের পরে এক।     
আর সেই পালক হয়ে আসছ তুমি!  
তুমি নীরবে নিঃশব্দে সাদা চাদরের ভাজে ভাজে মুড়ে দিবে মাঠ  ঘাট, গাছ পালা, বাড়ি ঘর, পথ প্রান্তর। রঙহীন পৃথিবী সেজে উঠবে চোখ ধাঁধানো সাদা রঙে। যে রঙের কাছে হার মেনে যাবে রমাধনুকের সাতটি রঙ।  
 
ওসব কথা থাক এখন।
তুমিতো তোমার চেনা সেই রূপে আসনি এবার। এবারের তোমাকে নিয়েই নাহয় দু’কথা বলি। শীতের শুরু থেকে যে প্রতীক্ষা ছিল প্রকৃতি ও মানুষের তার অবসানে তুমি এলে।  
তোমার আসার আগে থেকেই কতো কতো সাবধান বানী শুনছিলাম আমরা। তাই স্নো শুরু হওয়ার আগের দিন গ্রোসারি স্টোর থেকে ব্রেড বাটার ইত্যাদি সব উধাও হয়ে গেলো।    
হবেইতো। মানুষজন পিঁপড়ার সারির মত ছুটেছে দুর্দিনের খাবার সঞ্চয় করতে। সাবধানবানী ছিল বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে। লাইট পানি চুলা হিটার চলে যেতে পারে। সব কিছুর জন্যই তৈরি ছিলাম আমরা।    
     
২২ ষে জানুয়ারী, শুক্রবার দুপুর থেকে তুমি এলে।   
তোমার নাম দেয়া হয়েছে ‘জোনাস’। বলা হোল গত একশত বছরেও নাকি আমরা তোমার এই রূপ দেখিনি। তুমি কতোটা ভয়াল হতে পার তাও বলা হোল বারে বারে। আমরা যেন সাবধান থাকি। আমরা সাবধানই ছিলাম। এবং নিজের চোখে দেখলাম এবার আর আগের মত নরম আলতো পায়ে নয়, তুমি এলে বড় বেশী বেপরোয়া। বড় বেশী খামখেয়ালী হয়ে। প্রথমে মৃদু তারপর ক্রমেই বেড়ে গেল তোমার তীব্রতা। ক্ষিপ্র বেগে নেমে এলে। তুষারের তুলতুলে বল নয়, তীক্ষ্ণ ফলা হয়ে।      

আহাহা! তবু তুষার বলেইনা কথা। সে তুমি বল হও আর ফলাই হও, তুষার মানেইতো কোমলতা। রেনু রেনু মুগ্ধতা!  
আমি কি অস্বীকার করতে পারি যে এতকিছুর পরও আমি বা আমরা মুগ্ধ চোখে জানালায় দাঁড়িয়ে তোমাকে দেখিনি!
ফেইসবুকের পাতা ভরে গেলো তোমার ভয়ঙ্কর সুন্দর ছবিতে।
আর তুমিতো চিরকালই নিঃশব্দে চলাফেরা কর। আমরা স্তব্ধ হয়ে আবারো দেখলাম, আকাশ বেয়ে অবিশ্রান্ত নেমে আসছে শুভ্র সুন্দর তুষার। শব্দহীন শুভ্রতায় ঢেকে দিচ্ছে বিশ্ব চরাচর।
শুক্র গেল, শনিবার এল। সকাল, দুপুর, রাত পেরিয়ে তবে তুমি ক্ষান্ত হলে। ততক্ষণে তুষারের স্তূপের অতলে তলিয়ে গেল উত্তরপূর্ব ও মিড-আটলান্টিকের শহরগুলি।  
তোমার অবিরল বর্ষণে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট আর ওয়াশিংটনে স্থবির হয়ে গেল স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশ থেকে চল্লিশ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষার পড়েছে নানা জায়গায়।  
    
ঝড় শেষ হতেই দুয়ার খুলে অবাক। যেদিকে দু’চোখ যায় শুধু ধবধবে সাদা।  
দিগন্ত বিস্তৃত তুষার দেখে আমরা মেট্রো ওয়াশিংটন বাসীরা অভ্যস্ত। প্রতি শীতেই অন্তত দু’তিনবার তোমার দেখা পাই। কিন্তু এবারের দৃশ্যটা ভিন্ন। কারন এর উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি নয়। কয়েক ফুট।
ভয়ঙ্কর সুন্দরের এই বিষম পাহাড় ডিঙ্গিয়ে ঘরের বাইরে যাওয়ার সাধ্য কার! তবে ভাগ্য ভাল এতো ঝড়েও অন্তত আমাদের এই ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো (ডিসি, মেরিল্যান্ড ও ভার্জিনিয়া) এলাকার কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া যায়নি।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট হোক বা না হোক স্নোজিলার কবলে পড়ে গৃহবন্দী হয়ে গেলাম আমরা সবাই।
হাইওয়ে গুলিতে স্নো স্টোর্মের মাঝেও স্নো-ট্রাক ঘুরছে অবিরত। তুষার ক্লিন করছে। কমিউনিটির ভিতরের রাস্তাগুলিতে স্নোট্রাক আসতে শুরু করলো ঝড় থামার পরপরই।     
 
রবিবার সকাল।
আলোর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে চরাচর। আকাশে সোনার বরণ সূরুজ। কি তার তেজ! কি যে কিরণ! শীতকালের সূর্যে আগুনের রেনু ছোটে। সেই সোনালী কিরণ বরফের ধবধবে সাদা চাদরে প্রতিফলিত হয়ে ঠিকরে উঠছে রামধনুকের জ্যোতি। ঝলমলিয়ে জ্বলছে চতুর্দিক।    
ছুটির দিন। বেলা করে ঘুম থেকে উঠেই শুরু হয়ে গেলো যার যার ড্রাইভওয়ে ক্লিন করার ধুম।      
স্নো পড়া শেষ হলে শীতও যায় কমে। শিশু কিশোররা স্নোবল আর স্নোস্কেটিং করতে নেমে গেছে। বাতাসে ভাসছে তাদের হাসি আনন্দ উচ্ছাস।
শীতের সময় বর্ণ গন্ধের মতই ধ্বনিও প্রখর হয়। ওদের হাসির হিহি! হাহা! তরঙ্গ তাই দূর থেকেও স্পর্শ করা যাচ্ছে।
 
ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো এরিয়া জুড়ে স্নো পড়েছে প্রায় চৌত্রিশ ইঞ্চি(ওয়াশিংটন পোস্ট)। শাবল ঠুকে ঠুকে সেই বরফ সরানো কি আর চাট্টিখানি কথা!      
তারপরও সবাই এই কঠিন কাজটা করছে এবং হাসি মুখেই। ফেইসবুকের কল্যানে তাদের হাসি মুখের ছবিগুলোও আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম। কার ড্রাইভওয়ে কখন পরিষ্কার হোল তাও জানা হয়ে যাচ্ছে।       
আমাদের উল্টো দিকের বাসার মাঝ বয়সী জুলি আর এড অনেক ক্ষণ ধরে শোভেল করছিল। মাঝে মাঝে ব্লোয়ার দিয়ে বরফ কুঁচি উড়াচ্ছে। একসময় দেখি তুষারের নিচে থেকে বেরিয়ে এলো তাদের সুরমা আর কালো রঙের দু’খানা গাড়ি। হাতের গ্লাভস থেকে বরফ কুঁচি ঝাড়তে ঝাড়তে ওরা দুজন হা হা করে এমন জোরে হেসে উঠলো যেন সাগর তলা থেকে এইমাত্র টাইটানিক উদ্ধার করে ফেলেছে।        
    
সোমবার রাতের বেলা গ্রোসারি স্টোরে যাওয়ার পথে শহর তথা বরফ দেখতে বের হলাম। বেরিয়েতো অবাক!   
যেদিকে দু’চোখ যায় শুধু ধবধবে সাদা পুঞ্জীভূত তুষার আর তুষার। এতটুকু ফাঁক নেই। অরণ্য জোড়া গাছগুলো তুষার ফুলে ফুলে ছাওয়া।

আদিগন্ত বিস্তীর্ণ সেই সাদা প্রান্তরের বুক চিরে চলে গেছে ঝাঁ ঝকঝকে পিচঢালা কালো পথ। এই পথটা বের করা হয়েছে বরফ কেটে। তাই পথের দুপাশে এখন খাড়া বরফের উঁচু প্রাচীর। প্রাচীরের দুই পার শুভ্র সমুজ্জ্বল। রাত্রির আলো আঁধারীতে সবকিছু বড় মায়াবী হয়ে আছে! আহ! কি ভয়ঙ্কর সুন্দর!
 
আকাশের দিকে চোখ গেল, শীতার্ত পৃথিবীর তারারা আগুনের ফুল্কি হয়ে জ্বলছে আর নিভছে। চন্দ্রিমায় ঝরছে আলোর শিহরণ। আমি জানি ঠিক এরকম সময় ঝরনা আর লেকের জল তরল রূপো হয়ে যায়।  ছোট ছোট গাছের ঝাড়ে বরফের ঝুলন্ত ক্রিস্টাল ঝাড়বাতি দুলছে। শাণিত কচকচে শীতের বাতাস।  
 
এরি মাঝে হটাৎই দেখি তাকে। বরফ ডোবা পথের ধারে বাঁকা ছাদের নিচে দাঁড়িয়ে এক দীর্ঘকায় যুবক ঝনঝনিয়ে ইলেকট্রিক গিটারে সুর তুলছে –
‘ওহ! দ্যা ওয়েদার আউটসাইড ইজ ফ্রেইটফুল
বাট দ্যা ফায়ার ইজ সো ডিলাইটফুল   
অ্যান্ড সিন্স উই হ্যাভ নো প্লেস টু গো
লেট ইট স্নো! লেট ইট স্নো! লেট ইট স্নো ......।’ ডিন মারটিনের অমর সঙ্গীত।  
তারপর,
তার আর পর নেই, নেই কোন ঠিকানা। শুধু আলগোছে সময়টা পৃথিবীর খাঁচা ভেঙ্গে উড়ে যায়। হারিয়ে যায় কোন এক কল্পলোকে।

 

সর্বশেষ আপডেট ( মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০১৭ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >

লগইন বক্স






পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হতে চাইলে রেজিস্টার করুন

A professional services and  IT training firm.
 
  

 DETAILS 

 

 Details

Details 

Details 

 Click here for details

 

 Details 

  Details

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 অন্যান্য পত্রিকা



 


 

 

বাচিক শিল্পী কাজী আরিফের সাথে একটি অনন্য সন্ধ্যা


আমেরিকাতে এখন গ্রীষ্মের শেষ লগ্ন। হেমন্তের (ফল)এর আগমনীর প্রাক্কালে সেদিনের অপরাহ্নটি ছিল সিগ্ধ শ্যামল। গত ১১ই সেপ্টেম্বরের  এমনি এক সোনালী রোদেলা বিকেলে
ভার্জিনিয়া রাজ্যের  স্টারলিংস্থ সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল দেশ বরণ্য আবৃত্তি শিল্পী কাজী আরিফের আবৃত্তি সন্ধ্যা।

বিস্তারিত ...
 

২রা এপ্রিল শংকর চক্রবর্তীর মনোজ্ঞ সংগীত সন্ধ্যা


আগামী ২রা এপ্রিল  রবিবার  বিকেল চারটায় ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডস্থ কমফোর্ট ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে  বরণ্য  নজরুল গীতি, গজল এবং হারানো দিনের আধুনিক বাংলা গানের গুনী  শিল্পী  শংকর চক্রবর্তীর একক  সংগীতানুষ্ঠান। সঙ্গত আর সংগীতের অসাধারণ ঐকতানে শংকর চক্রবর্তীর এই মনোজ্ঞ সংগীতের আসরটি  বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ ভাবে সাজানো হচ্ছে। দর্শক শ্রোতারা দারুন ভাবে উপভোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিস্তারিত ...
 

কি কখন কোথায়


No events

মতামত জরিপ

Why do you visit News-Bangla
 
 
Free Joomla Templates