News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, রবিবার      
মূলপাতা arrow খবর arrow দেশ arrow যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে কে এই আরশা
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে কে এই আরশা প্রিন্ট কর
নিউজ-বাংলা ডেস্ক   
বুধবার, ০৭ মে ২০১৪

গত ৫ই মে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেরি হার্ফ নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন জনৈক আরশাদ। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি কথা বললেও তিনি কোন পত্রিকার সাংবাদিক তা উল্লেখ করেন নাই। অথচ প্রেস ব্রিফিং এ তিনি মনগড়া বিকৃত তথ্য পরিবেশন করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন বাংলাদেশের স্বাধীণতা দিবস ১৯৭৫।
দ বাংলাদেশে মিডিয়া এবং সংবাদপত্র অতীতের যে কোন সময় থেকে বর্তমানে অনেক বেশী স্বাধীণতা ভোগ করলেও তিনি বলেছেন দেশে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীণতা নেই। মিথ্যা এবং বিকৃত তথ্য প্রচারের জন্য তথ্য প্রযুক্তি আইনে দুই একজন সাংবাদিক জেলে থাকলেও সেগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই বিবেচিত। অথচ তিনি তার পত্রিকার সম্পাদকের মৃত্যু দন্ডের আশাংক্ষা করেছেন। বোধগম্য কারনেই এই সাংবাদিকের আসল লক্ষ্য এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পরিষ্কার। সবচেয়ে দূর্ভাগ্য যে এরা একেবারে মার্কিন প্রশাসন অবধি পৌছে যাচ্ছে। প্রবাসে তথাকথিত প্রগতিশীল কিংবা সরকারের মুখপাত্র বাংলাদেশ দূতাবাস এই ব্যাপারে অজ্ঞ কিংবা দায়িত্বহীন। তারা তাদের কার্যক্রম সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা তাদের পছন্দের ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী বর্গের অনুষ্ঠানে অতিথি হতেই বেশী মনযোগী। যে ব্যক্তি ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীণতা দিবস অস্বীকার করে বংগবন্ধুর হত্যার সনকে স্বাধীণতা দিবস বলে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে বেড়ায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোন পদক্ষেপের কথা দেশ প্রেমিক প্রবাসীরা জানতে চাইতেই পারে। যদিও সংবাদ ব্রিফিং এ মেরি হার্ফ এই সাংবাদিকের প্রশ্ন খুব একটা গুরুত্ব দিয়েছে বলে অন্তত ভিডিও চিত্র দেখে মনে হয়নি। বরং তিনি বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখতে চায় । । তিনি বলেছেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশ সহ সর্বত্র মিডিয়ার স্বাধীনতা সমর্থন করি। এটা এমন একটি ইস্যু যা নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে সব সময় কথা বলছি। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ সহ সবারই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আছে। মেরি হার্ফ বলেন, তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যেকোন স্থানে সহিংসতার বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। আমরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসব কথা বহু বলেছি। সহিংসতার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার। আমরা এসব বিষয় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় অব্যাহতভাবে তুলে ধরবো। বাংলাদেশে নতুন নির্বাচন হলে তাতে প্রধান বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসতো- এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মেরি হার্ফ বলে, আমরাও তো উত্তেজনা অবসান ঘটুক, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক তা-ই চাই।
সর্বশেষ আপডেট ( সোমবার, ০৭ জুলাই ২০১৪ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >
Free Joomla Templates