News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার      
মূলপাতা arrow খবর arrow প্রবাস arrow জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-বিএনপি
জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রিন্ট কর
তৈয়বুর রহমান টনি নিউইর্য়কঃ   
রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩

শান্তি সমাবেশকারীরা গগন বিদারি শ্লোগানে মহাজোট সরকারের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রশংসা করে বিভিন্ন ধ্বনি দেন। প্রবাসে শতশত নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন। একাত্তরের ঘাতক-রাজাকারদের বিচারের সমর্থনেও এ সময় বিভিন্ন শ্লোগান দেয়া হয়। শান্তি সমাবেশ কারীরা। 

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের আগেই বাইরে পরস্পর বিরোধী দুটি কর্মসূচিতে পরিলক্ষিত হলেও পুলিশ সোচ্চার থাকায় কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে ক্যামেরার সামনে কে কথা বলবেন বা বক্তব্য দেবেন এ নিয়ে বিএনপির নেতাদের মধ্যে অন্তত: দু’দফা কিল-ঘুষি এবং ঠেলাধাক্কার ঘটনা ঘটেছে।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গত ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বেলা ১টা থেকেই জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে জড়ো হয়ে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, ষ্টেট আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। পুলিশের বেষ্টনীতে শেখ হাসিনার ভাষণের সমর্থনে ‘শান্তি সমাবেশ’কারীরা ব্যাপকভাবে সমবেত হন।

এর নেতৃত্বে ছিলেন আওয়ামী  লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর  রহমান, সহসভাপতি  ফজলুর রহমান, সহসভাপতি আকতার হোসেন, মাহাবুর রহমান, সৈয়দ বসারত আলী, আআবুল কাশেম, নাজমুল ইসলাম, শামসুদ্দিন আজাদ, ডাঃ মো আলী মানিক, লুৎফুল করিম, সেক্রেটারী সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, আইরিন পারভিন, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আব্দুল হাসিব মামুন, আব্দুর রহীম বাদশা, চন্দন দও, মোঃ আলী সিদ্দিকি, শাহ বখতিয়ার, কাজি মনির, আশরাফুজ্জামান,জাহাঙ্গীর হোসেন, শিরিন আকতার দিবা, মুজাহিদুল ইসলাম, এম জাহাঙ্গীর, মোঃ আবুল মনসুর খান, মাহাবুবুর রহমান টুকু, তৈয়বুর রহমান টনি, সোলেয়মান আলী, কাজী কয়েস, শাহানারা বেগম, ডেসী চৌধুর, সেফু রহমান, জহিরুল ইসলাম, শামছুল আবেদিন, হিন্দোল কাদির বাপ্পা, আমিনুল ইসলাম কলিন্স, নুরুল আফসার সেন্টু, মুজিবুল মওলা, রফিকুল ইসলাম পাঠুয়ারী, শরীফ কামরুল হীরা, আলী হোসেন গজনবী, আজাহারুল ইসলাম লিটন, আতাউল গনি আসাদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক খালিদ হাসান, ডাঃ শাহজাহান মাহমুদ, জাহানারা হাসান, হাজী শফিকুল আলম, জয়নাল আবেদিন, সাইফুল ইসলাম রহিম, মোহাম্মদ হানিফ, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি নূরনবী কমান্ডার, জাকারিয়া চৌধুরী, মাসুদ হোসেন সিরাজী, সাধারন সম্পাদক ইমদাদ চৌদুরী, লুতফুর রহমান সুইট, খোরশেদ খন্দকার, ফফজলুল কাদের, ষ্টেট আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবুর রহমান মিয়া, সাধারন সম্পাদক শাহীন আজমল, মাহি চৌধুর, এ কে আলমগীর, রফিকুল ইসলাম, আবদুর শুকুর মাখন, সৈয়দ আতিকুর রহমান, এম মতিন, যুবলীগের মিসবাহ আহমেদ, তরিকুল হায়দার চৌধুরী, মোঃ ফরিদ আলম,জামাল উদ্দিন, রহিমুজ্জামান সুমন, নুরুজ্জামান সর্দার, শাখায়াত বিশ্বাস, আব্দুল হামিদ, সেবল দেবনাথ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভানেত্রী মুর্শেদা জামান এবং এডভোকেট মামুন, বাংলাদেশ শ্রমিক লীগের সিরাজউদ্দিন সোহাগ, আজিজুল হক খোকন, জুয়েল আহমেদ, সাইফুল্লা ভূইয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, ওয়ালী হোসেন, দরুদ মিয়া রুনেল, আমেনা পারভীন, শাহনেয়াজ মমতাজ, রুমানা আক্তার, বিউটি, সাথী,আবুল হোসেন, রুহেল চৌধুরী, নূরে আলম জিকো, আতাউর রহমান শামীম প্রমুখ।

এ সময় অনেকের হাতে ছিল পোস্টার  এবং মাথায় ছিল জয় বাংলা-জয়  বঙ্গবন্ধু লেখা ব্যাজ। ওয়াশিংটন, ম্যারিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, বস্টন, নিউজার্সী, ফ্লোরিডা, মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, কানেকটিকেট থেকে এসেছিলেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।

বেলা তিনটার পর আসতে থাকেন বিএনপি, যুবদল, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থক ছাড়াও জামায়াত-শিবির সমর্থিতরা। তারাও পুলিশের নির্দিষ্ট করা স্থানে জড়ো হন। ততোক্ষনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ শেষ। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শুরু করেন।

এ সংবাদ জানার পর শান্তি সমাবেশের কঠোর সমালোচনা এবং  কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল দাবিতে বিএনপি, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয়তাবাদি ফোরাম, যুবদল, ছাত্রদল, জাসাসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে শ্লোগান দেন। তবে উভয় দলের শীর্ষ নেতারা সার্বিক সজাগ থাকায় কোন ধরনের মারদাঙ্গা পরিস্থিতি ছাড়াই অপরাহ্ন ৫ টায় বিএনপি কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

বিক্ষোভ প্রদর্শনের শেষ  পর্যায়ে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্বের বহিপ্রকাশ ঘটে মিডিয়ার সামনে সংগঠনের মুখপত্র  কে হবেন তা নিয়ে। এছাড়া ক্যামেরা ঝলসে উঠলেই মাইক হাতে নিয়ে  বক্তৃতা করার প্রবণতায়  অন্যেরা ক্ষেপে যান। এক পর্যায়ে বিএনপির কর্মীরা মারপিটে  লিপ্ত হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা উল্লেখ করেন।  ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় রোববার সকাল) নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটানে হিলটন হোটেলের বিরাট অডিটরিয়ামে শেখ হাসিনাকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।

সর্বশেষ আপডেট ( সোমবার, ০৭ জুলাই ২০১৪ )
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >
Free Joomla Templates