News-Bangla - নিউজ বাংলা - Bangla Newspaper from Washington DC - Bangla Newspaper

১৬ অক্টোবর ২০১৭, সোমবার      
মূলপাতা arrow খবর arrow প্রবাস arrow সেই চেনা গ্রাম, সেই চেনা পথে স্মৃতির পদাবলী
সেই চেনা গ্রাম, সেই চেনা পথে স্মৃতির পদাবলী প্রিন্ট কর
স দে রা সু জ ন, মন্ট্রিওল থেকে   
রবিবার, ০৬ জানুয়ারি ২০১৩

তিন বছর পূর্বে দেশে গিয়ে ভেবেছিলাম একটি সুন্দর জ্যোৎস্নাঘেরা স্নিগ্ধরাতে আমার প্রিয় বন্ধুদেরকে নিয়ে ঘুরে বেড়াবো গ্রাম-গ্রামান্তরে। যেমনিভাবে বছরের পর বছর বন্ধুবান্ধব নিয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরেছি অনেক রাতদুপুর কাটিয়েছি জীবনে। এটা অনেক বড়ো আনন্দের।

 স্লপ সময়ের জন্য স্বদেশ ভ্রমনে আমার প্রিয় গ্রাম যেখানে যৌবনের অনেক স্বর্ণালী সময় কাটিয়েছি অজানা দিগন্তে উড়ে যাওয়া দবল বলাকার মতো কতো সহস্র সহস্র রঙ্গিন স্বপ্ন নিয়ে। কতো দিন কতো রাতভোর কতো দুপুর কাটিয়েছি সেখানে উদ্দেশ্যবিহীন দিকভ্রান্ত যুবক হয়ে একটু শান্তির খুঁজে। অনিন্দ সুন্দর রমনীর মতো গ্রামটি যেন কয়েক যুগ ধরে মিশে আছে আমার জীবনে আমার অস্তিত্বে। যৌবনের দোলায় দুলতে দুলতে প্রাণখুলে দেখেছি  গ্রামের মানুষ। ছোট্ট বালিয়াছড়ার তীর ঘেষে পিছনে সবুজ বনানী ঘেরা উঁচু নিচু টিলার পাদদেশে আমার প্রিয় সেই গ্রাম বালিগাঁও। বড্ড অসময়ে পিতৃ-মাতৃহীন যুবকের যা হয় তা হয়েছিলো আমারও। নারীহীন বাড়িতে গিয়ে ভালোবাসা আর স্নেহ বঞ্চিত হতে হতে ভিতরের কষ্টের ক্ষতটি ঢেকে রাখতাম সাংবাদিকতা, আন্দোলন আর সংগ্রামের মধ্যে। বাড়িঘর-বিশাল জায়গা-জমি, সহায়-সম্পত্তি সবই ছিলো নেই শুধু প্রিয়জনের মায়া মমতা আদর যত্ন স্নেহসুলভ আচরণ। খালি বাড়িতে গিয়ে মন বসতো না, গোলা ভরা ধান, ক্ষেতের সবজি আর পুকুরভরা মাছ থাকলেও কত রাত কাটিয়েছি অভুক্ত। ছন্নছাড়া কোনো যুবা পথ খোঁজা কোনো প্রান্থকে পথের নিশানা দিয়েছিলো বালিগাঁওয়ের প্রিয় মানুষ।  মনে পড়ে আজো কমলগঞ্জের বালিগাঁও-এর বালিয়াছড়ার পাড়ে ক্রিকেট খেলার ছলে বসে থাকতাম সেখানে আর কতো বৈরী সময় কাটিয়েছি বালিয়াছড়ার সেই নীরব ম্রীয়মান স্রোত দেখে যৌবনের দ্বারপ্রান্তে। কতোই অলীক স্বপ্ন দেখেছি তখন হৃদয়ের জানালা দিয়ে। শুনেছি বালিগাঁও-এর সেই মাঠ, সেই সরকারী পুকুর পাড়, কদমতলা সবই আছে হয়েছে পাকা রাস্তাও। রঞ্জন, কৃষ্ণগোপাল, স্বরূপা, উচিত, শুক্লা, রামা, বিবেকা, রনজিৎ, নিজাম, বুলবুল, শুভ্রা, রুমা, ডিলানী, শিবানী ও বনানী ওরা আর কেউই গ্রামে নেই। জীবন আর জীবিকার তাগিদে একে একে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সময়ের অমুগ নিয়মে শুনেছি অনেকেই আবার সন্তানের জনক ও জননী হয়ে গেছে। কিন্তু যে যেখানেই থাকুক না কেন নিজ গ্রামের মায়া কেউ ছাড়েনি। যেমনটি দীর্ঘ প্রবাসজীবনে একটি মুহূর্তেও জন্য আমার গ্রাম আমার প্রিয় জন্ম ভূমি মানে আমার তীর্থভূমিকে ভুলতে পারছিনা। আমৃত্যু ভোলা সম্ভব নয়। জানি না কেন যে বার বার সেই স্মৃতি আমাকে ডাকে যেন সেখানে ফিরে যেতে চাই। স্মৃতি বুঝি মানুষকে কাঁদায়, হারিয়ে দেয় অতীত বিন্যাসে। সাংবাদিকতা আর ছাত্র রাজনীতির কারণে মনে পড়ে কত কাদা জল ডিঙ্গিয়ে মাইলের পর মাইল হেঁটে ঘোড়মারা, মাধবপুর, গোলের হাওর, তিলকপুর, মঙ্গলপুর, কাটাবিল, শিববাজারসহ কত অসংখ্য মুনিপুরি অধ্যুষিত গ্রামে গিয়েছি।সিলেটের মাসিমপুর থেকে হবিগঞ্জের মুণিপুরি পাড়ায়ও গিয়েছি বন্ধুদের ডাকে। সুশীল, অসীম, রনজিৎ, নির্মল, লক্ষীকান্ত, মনিন্দ্র, চিত্ত, শ্রীনিবাস, সূর্যকান্ত, অরুন, রাজা, রবীন্দ্র, ধীরেন্দ্র অরুনদয় ওদের ভালোবাসার ডাকে, কিংবা প্রিয় বন্ধু নির্মলের বাড়িতে। কতো স্মৃতি বিজড়িত। এই বুঝি জীবনে বয়ে যাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু বদলে গেলেও দুরন্ত স্মৃতি ছুটে চলে নিত্য সঙ্গী হয়ে।

একুশ বছর ধরে কতো অসংখ্য স্মৃতি আমাকে তাড়িত করে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত। মনে পড়ে বার বার ক্ষণে ক্ষণে  সেই গ্রাম আর গ্রামের প্রিয় মানুষদের কথা। বালিগাঁওয়ের রঞ্জন-স্বরূপা-বিবেকা রামা-সুব্রত-রঞ্জিত-উচিৎ-ঈশ্বর- নিজাম বুলবুল- ডিলানী-শীবানী-বনানী-শুভ্রা-রুমা-শান্তা-পরিমল-শুক্লা, কৃষ্ণগোপাল সহ স্বজন আমার আত্মার আত্মিয়। রঞ্জনের মা আমার প্রিয় কাকিমা, সুমিষ্টা কাকিমা, রামার মা বড়কাকিমাসহ কতো মায়ের স্নেহ ও আদর ভালোবাসায় হয়েছি আমি ধন্য। এ ঋণ শোধ হবার নয়। কত স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে ওঠে চোখের পলকে। বিবেকা ছিলো হাবা টাইপের, তাকে দিয়ে যেকোনো কাজ করানো যেত। তবে অনেক অনেক বড় মনের ছেলে ছিলো। রামানন্দ ছিলো বলতে গেলে ছেলে মেয়ে সবার কাছে ঈর্ষণীয়। অসম্ভব সুন্দর ছিলো। টল হেন্ডসাম দুধের মতো পরিস্কার দেখতে ঠিক শ্বেতাঙ্গ যুবকের মতো। শুধু নারী কেন পুরুষের কাছে সেছিলো ঈর্ষনীয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুরেছি, ঘুরেছি অজস্র শহর-বন্দর আর অজানা অচেনা পথ, দেখেছি অজানা দৃশ্য, কিন্তু কেন যে আমার বাংলাদেশের মতো একটি দেশও পাইনি খুঁজে তন্ন্ তন্ন করে। জীবনের স্মৃতি বিজড়িত গ্রাম নাগড়া, বালিগাঁও, ঘোড়ামারা, তিলকপুর এখনও আমাকে টানে, ফিরিয়ে নিয়ে যায় অতীত বিন্যাসে। সেই আড্ডা সেই ঠাট্টা সেই হাসি খুশি আর ঝগড়াঝাটি আনন্দফূতিই শুধু হারিয়ে গেলো জীবন থেকে। মাঝেমধ্যে মনে হয় জীবনটা নদীর স্রোতের মতো নিরবধি চলতে চলতে এক সময় সাগরের মোহনায় গিয়ে মিশে যায় চিরদিনের জন্য। জীবনে চলার পথে স্নেহ-মায়া-মমতা-ভালোবাসা আসলেই অদ্ভুত। ইচ্ছে করলেই মন থেকে সরানো যায় না যতই হোক দূরত্ব। কোথায় ছিলাম, কোথায় এলাম আর কোথায় যাবো? কি-ই হবে আমাদের ঠিকানা কেউকি বলতে পারেন? একমাত্র শেষ ঠিকানা ছাড়া! সেই ছোট্ট পাড়াগাঁ নাগড়া-কিংবা বালিগাঁও থেকে কমলগঞ্জ আর বাংলাদেশ ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আর শহর-বন্দর দেখে দেখে ভেলায় ভাসতে ভাসতে কোথায় এসেছি আর কোথায়ইবা যাবো তা-কি জানি? মানুষের ভিতরের সব ইচ্ছা কি পূরণ হয়? কেউকি চিরকাল একই গ্রাম কিংবা শহরে বসবাস করে সারা জীবন? হয়তো করেনা। এখন ইচ্ছা থাকলেও কি আর ফিরতে পারবো আমার প্রিয় স্বদেশে আমার প্রিয় গ্রামে কিংবা স্মৃতি বিজড়িত বালিগাঁওয়ে?

সত্যিকথা বলতে কি, মফস্বল সাংবাদিকতা-লেখালেখি আর ছাত্র রাজনীতির সুবাধে বৃহত্তর সিলেটের মুনিপুরি অধ্যুষিত এমন গ্রাম নেই যেখানে যাইনি। সেদিন আর আজকের মধ্যে অনেক পার্থক্য। সেদিন মণিপুরি এলাকাগুলো প্রশ্চাদপদ অউন্নত ছিলো। শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে থাকলেও যোগাযোগসহ অন্যান্য সবধরণের নাগরিক সুবিধা থেকে ওরা বঞ্চিত ছিলো। কিন্তু এসব প্রশ্চাদপদতা আর প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে ওরা বিরতীহীন সংগ্রাম করে অনেক এগিয়ে গিয়েছে, বলবো স্বর্ণশিখরে পৌঁছতে যাচ্ছে। তাদের বাড়িঘরগুলো ছিলো দেখার মতো। খুব সুন্দর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সুশৃঙ্খল পরিপাটি করে সাঁজানো। মণিপুরিদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যতো অনেক পুরাতন এবং রীচ। রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে রাসলীলা-রাখাল নৃত্য কিংবা থালা নৃত্যতো বিশ্বখ্যাত। দেশের সীমানার গন্ডি পেরিয়ে  বর্হিবিশ্বে স্থান করে নিয়েছে। তারজন্যে মণিপুরি সম্প্রদায়ের মানুষরা অনেক অক্লান্ত কষ্ট, পরিশ্রম করছেন। আজো মনে পড়ছে সেই কবে ২৪/২৫ বছর আগের কথা। কমলগঞ্জের রাস্তাঘাটের অবস্থা ছিলো খুবই সুচনীয়। বিশেষ করে মুণিপুরি অধ্যুষিত এলাকা ইসলামপুর, গোলের হাওর, মাধবপুর তিলকপুর-বালিগাঁওসহ সব গ্রামেরই রাস্তাতাঘাট ছিলো মারাত্মক খারাপ। সেই সব গ্রামগুলোর পাশে হাই স্কুল কিংবা কলেজ ছিলোনা ফলে অনেক প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে অনেক অনেক মাইল হেঁটে মুণিপুরি সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজে এসে লেখাপড়া করতো। পরে অবশ্য মনিপুরি মেয়েরা সব কুসংস্কারের বুকে লাথি মেরে বাইসাইকেল চালিয়ে দল বেঁধে কাঁচা ভাঙ্গা মাইলের পর মাইল অতিক্রম করে কলেজে আসতো । তারা এমন কষ্ট করে লেখাপড়া শিখে সমাজের সর্বত্র বিচরণ করছে।

মণিপুরি সমাজে অনেক গুণিজনের জন্ম দিয়েছে। যাঁদের জন্মে-কর্মে জাতি ও সমাজ হয়েছে ধন্য। নৃত্য শিক্ষক গুরু নীলেশ্বর মুখার্জীর মতো খ্যতিনামা ব্যক্তিত্বরা সারা বাংলাদেশের গর্ব। যাঁর দক্ষ মেধা ও মননের ফসল একজন কৃতিমান নৃত্যগুরু হিসেবে দেশে-বিদেশে স্থান করে নিয়েছিলেন। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর পরিচালিত রাস নৃত্য ও কোরিওগ্রাফি দেখে শুধু অবাক আর মুগ্ধই হননি তিনি তাঁকে শান্তিনিকেতনের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ভারতের সাবেক প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর শান্তিনিকেতনের নৃত্যগুরু। তা কি কম কথা? আমার স্কুল জীবনের একজন শ্রদ্ধেয় এবং প্রিয় স্যার ছিলেন রাধামোহন সিংহ। যার জীবন ও আদর্শকে সামনে রেখে চললে যেকোনো মানুষ জীবনে এগিয়ে যেতে পারবে তা আমি বিশ্বাস করি। স্যার সারা জীবন শুধু দিয়েই গেছেন। এমন আদর্শবান শিক্ষকরা যুগে যুগে জন্ম গ্রহণ করে কিনা সন্দেহ। স্যার ঝড়-বৃষ্টি-বন্যা-সাইক্লোন কিংবা যেকোনো তান্ডবে সব কিছু অতিক্রম করে যথাসমইে ১০/১২ মাইল হেঁটে কমলগঞ্জ স্কুলে পৌঁছতেন। সব সাবজেক্টই ছিলেন পারদর্শী। তাঁর হাতে মার খেয়েছে বলে কোনো ছাত্র কখনোই বলতে পারবে না। এমন অমায়িক আšতরিক শিক্ষক এখন আর পাওয়া মুস্কিল। তাছাড়া ললিত মোহন সিংহ  কিংবা দীননাথ সিংহ স্যাররাও আমাদের জন্য অনেক কিছু করে গেছেন। এছাড়া বাংলাদেশের প্রশাসনে একজন সৎ নিষ্টাবান  ও দক্ষ সচিব ছিলেন রবীন্দ্র সিংহ। মুণিপুরি সমাজ উন্নয়নে যে ব্যক্তি আমৃত্যু নিরবধি সংগ্রাম করে গেছেন তিনি হলেন  সবার প্রিয় মানুষ পদ্মাসন সিনহা।  সমাজ কখনো তাঁদের কথা ভুলবেনা। এঁরা সবাই প্রয়াত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু তাঁদের আদর্শ এখনো আমাদের মাঝে বিদ্যমান।

উন্নত জীবন ও জীবিকার তাগিদে মুণিপুরি সম্প্রদায়ের মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম-ত্যাগ-সংগ্রাম চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করে আজ অনেক উপরে উঠতে সাহায্য করেছে। আজ মুণিপুরি সম্প্রদায়ের মানুষরা শিক্ষাদীক্ষায় এগিয়ে রয়েছে। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার-উকিল-সাংবাদিক-সামরিক বাহিনী-পুলিশ-সরকারি চাকুরিজীবি-শিক্ষক-বিচারপতিসহ সব পেশাতেই এগিয়ে আছে। বিচারপতি এস কে সিনহা, ভবানী প্রসাদ সিনহারা এখণ আমাদের জাতীয় গৌরব। গোপীচাঁদ সিংহের মতো সৃষ্টিশীল যিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কতৃক সম্মানপ্রাপ্ত একজন দ্বিভাষী গীতিকবি। রানা সিংহের মতো কন্ঠশিল্পী শুধু বাংলাদেশে নয় বর্হিবিশ্বেও পরিচিত। খেলাধূলা-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মণিপুরি সম্প্রদায়ের সন্তানরা অনেক গৌরবময় অবদান রাখছে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা।

টেকনোলজি আর ডিজিটাল বিশ্বের সৌজন্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মুণিপুরির ভাষা-শৈলী-কৃষ্টি-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে তাবৎ বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশে থাকাবস্থায় দেখেছি তারা তাদের নিজস্ব ভাষায় ম্যাগাজিন সংকলন পত্রিকা বের করে  মুনিপুরি সম্প্রদায়ের যুবকরা নিজের ভাষা শৈলীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিরবধি সংগ্রাম করছে। আমেরিকা প্রবাসী আমার প্রিয়ভাজন উত্তম সিংহ কিংবা ঘোড়ামারার আমার সেই বন্ধু অসীম সিনহা আর সুশীল সিন্হা, ধীরেন্দ্র সিনহা, সাংবাদিক সংগ্রাম সিংহ বন্ধু নির্মল সিনহাসহ অনেকেই তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের ওয়েব সাইট ম্যাগাজিন প্রকাশ করে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছে। ব্রেভো বন্ধুরা। তোমাদেরকে অভিনন্দন। তোমাদেরকে নিয়ে গর্ব করতে পারে দেশ ও সমাজ।

বিদ্রঃ ২২/২৩ বছর হয় জীবন আর জীবিকার তাগিদে প্রবাসের কষ্টকঠিন যান্ত্রিক জীবনে চলতে গিয়ে ফেলে আসা দিনগুলোর অনেক স্মৃতিই ঝাপসা হয়ে আসছে। অনেকরই নাম নিজের অজান্তে মনে করতে পারিনি বলে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি বলে ক্ষমা চাচ্ছি। সিলেট থেকে আমার প্রিয় বন্ধু নির্মল সিংহ, সাংবাদিক সংগ্রাম সিংহ আর ফুটবলার রনজিৎ সিংহের অনুরোধে একটি লেখা লিখতেই হলো। বন্ধুরা তোমরা আমাকে ভুলনি বলে আমি গর্বিত।

মন্ট্রিয়ল ১/১১/২০১২

সদেরা সুজন/ ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিক ।
 

সর্বশেষ আপডেট ( বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৩ )
 

Comments  

 
#1 আমরা গর্বিতউত্তম সিংহ 2013-01-19 21:21
কমলগঞ্জের গর্ব প্রখ্যাত সাংবাদিক সাদেরা সুজনের অসাধারণ লেখাটি পড়ে সত্যিই ভাল লাগল। লেখকের সম্পাদিত "কমলিকা" কমলগঞ্জের ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
Quote
 

Add comment


Security code
Refresh

< পূর্বে   পরে >
Free Joomla Templates